আকাশ জুড়ে কালো মেঘের উথাল-পাথাল খেলা,
নদীর বুকে ঝড়-বাদলে কাটছে বিষম বেলা।
তবুও মানুষ গাঁয়ের মায়ায় ছুটছে নাড়ির টানে,
কষ্ট সয়েও ফিরতে হবে আপনজনের পানে।
যেইনা তরী ভিড়লো ঘাটে, থামলো বুকের ভয়,
টিনের চালে বৃষ্টির গান মনটা করে জয়।
শহর থেকে ফিরে আসায় জুড়ায় যেন প্রাণ,
বৃষ্টি-জলের রিমঝিমিতে শৈশবেরই গান।
পুরনো সব সখার সনে মাঠের কাদা মেখে,
বৃষ্টি জলে ভিজছে সবাই, দিন-দুনিয়া রেখে।
জাল ফেলে আজ মাছ ধরিবে, ডিঙি নৌকায় দোল,
এমন সময় হঠাৎ বাজে মায়ের ডাকের বোল।
পাকঘরের ওই জানলা দিয়ে মা ডাকে তাই ত্রাসে
‘আয়রে বাছা, ঘরে ফিরে, জ্বর যে এবার আসে!’
শহুরে ওই শিশুর চোখে পল্লী-মায়ার ঘোর,
বাপ দেখায় আজ কেমন করে হাসে গাঁয়ের ভোর।
কচুপাতায় টলমলিয়ে নাচে বৃষ্টির জল,
পুকুর ঘাটে হাঁসের খেলা, মাছের কোলাহল।
ঈদের খুশি এমনি করেই ভরবে সবার বুক,
পল্লী মায়ের আঁচল তলে অনাবিল এক সুখ।
ছুটি শেষে আবার যখন সিমেন্ট ঘেরা পুরে,
ফিরতে হবে পাষাণ শহরে, আপন গাঁয়ের দূরে
স্মৃতিগুলো জমবে এসে দু’চোখ ভরা জলে,
অথবা সে ফুটবে হেসে আপন ঠোঁটের তলে।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
আকাশ জুড়ে কালো মেঘের উথাল-পাথাল খেলা,
নদীর বুকে ঝড়-বাদলে কাটছে বিষম বেলা।
তবুও মানুষ গাঁয়ের মায়ায় ছুটছে নাড়ির টানে,
কষ্ট সয়েও ফিরতে হবে আপনজনের পানে।
যেইনা তরী ভিড়লো ঘাটে, থামলো বুকের ভয়,
টিনের চালে বৃষ্টির গান মনটা করে জয়।
শহর থেকে ফিরে আসায় জুড়ায় যেন প্রাণ,
বৃষ্টি-জলের রিমঝিমিতে শৈশবেরই গান।
পুরনো সব সখার সনে মাঠের কাদা মেখে,
বৃষ্টি জলে ভিজছে সবাই, দিন-দুনিয়া রেখে।
জাল ফেলে আজ মাছ ধরিবে, ডিঙি নৌকায় দোল,
এমন সময় হঠাৎ বাজে মায়ের ডাকের বোল।
পাকঘরের ওই জানলা দিয়ে মা ডাকে তাই ত্রাসে
‘আয়রে বাছা, ঘরে ফিরে, জ্বর যে এবার আসে!’
শহুরে ওই শিশুর চোখে পল্লী-মায়ার ঘোর,
বাপ দেখায় আজ কেমন করে হাসে গাঁয়ের ভোর।
কচুপাতায় টলমলিয়ে নাচে বৃষ্টির জল,
পুকুর ঘাটে হাঁসের খেলা, মাছের কোলাহল।
ঈদের খুশি এমনি করেই ভরবে সবার বুক,
পল্লী মায়ের আঁচল তলে অনাবিল এক সুখ।
ছুটি শেষে আবার যখন সিমেন্ট ঘেরা পুরে,
ফিরতে হবে পাষাণ শহরে, আপন গাঁয়ের দূরে
স্মৃতিগুলো জমবে এসে দু’চোখ ভরা জলে,
অথবা সে ফুটবে হেসে আপন ঠোঁটের তলে।

আপনার মতামত লিখুন