আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস আবারও ক্ষমতায় ফেরার ইঙ্গিত দিলেও গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে লড়াই হবে সেয়ানে সেয়ানে।
২৯৪ আসনের বিধানসভা
নির্বাচনে জনমত জরিপের ফল বলছে, তৃণমূল কংগ্রেস একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পারে,
তবে বিজেপি গতবারের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।
ম্যাট্রিজ-আইএএনএস
এর সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ঘাসফুল ও পদ্ম শিবিরের মধ্যে ব্যবধান অত্যন্ত সামান্য,
যা ভোটের লড়াইকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।
জরিপের তথ্য অনুযায়ী,
২৯৪টি আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ১৫৫ থেকে ১৭০টি আসন পেতে পারে।
অন্যদিকে, প্রধান
প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি জোট ১০০ থেকে ১১৫টি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য
দলগুলোর ঝুলিতে যেতে পারে ৫ থেকে ৭টি আসন।
প্রাপ্ত ভোটের হারের
দিক থেকেও দুই দলের ব্যবধান মাত্র ২ শতাংশের মতো। তৃণমূল ৪৩ থেকে ৪৫ শতাংশ ভোট পেতে
পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে বিজেপি জোট ৪১ থেকে ৪৩ শতাংশ ভোট পেয়ে একদম কাছাকাছি
অবস্থান করছে। অন্যান্যরা পেতে পারে ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ ভোট।
বিশ্লেষকরা বলছেন,
জরিপের এই আভাস স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে বাংলায় তৃণমূলের আধিপত্য থাকলেও বিজেপি বেশ কয়েকটি
নির্বাচনী এলাকায় নিজেদের অবস্থান আগের চেয়ে অনেক মজবুত করেছে। এপ্রিল মাসে দুই দফায়
ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
আগামী ২৩ এপ্রিল
প্রথম দফা এবং ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট শেষে ৪ মে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ওই দিনই
নির্ধারণ হবে টানা চতুর্থবারের মতো কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন দখল করবেন নাকি বিজেপি
বড় কোনো চমক দেখিয়ে ক্ষমতার পটপরিবর্তন ঘটাবে। একই দিনে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও আসাম, কেরালা,
তামিলনাড়ু ও পদুচেরির নির্বাচনের ফলাফল জানা যাবে।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস আবারও ক্ষমতায় ফেরার ইঙ্গিত দিলেও গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে লড়াই হবে সেয়ানে সেয়ানে।
২৯৪ আসনের বিধানসভা
নির্বাচনে জনমত জরিপের ফল বলছে, তৃণমূল কংগ্রেস একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পারে,
তবে বিজেপি গতবারের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।
ম্যাট্রিজ-আইএএনএস
এর সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ঘাসফুল ও পদ্ম শিবিরের মধ্যে ব্যবধান অত্যন্ত সামান্য,
যা ভোটের লড়াইকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।
জরিপের তথ্য অনুযায়ী,
২৯৪টি আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ১৫৫ থেকে ১৭০টি আসন পেতে পারে।
অন্যদিকে, প্রধান
প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি জোট ১০০ থেকে ১১৫টি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য
দলগুলোর ঝুলিতে যেতে পারে ৫ থেকে ৭টি আসন।
প্রাপ্ত ভোটের হারের
দিক থেকেও দুই দলের ব্যবধান মাত্র ২ শতাংশের মতো। তৃণমূল ৪৩ থেকে ৪৫ শতাংশ ভোট পেতে
পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে বিজেপি জোট ৪১ থেকে ৪৩ শতাংশ ভোট পেয়ে একদম কাছাকাছি
অবস্থান করছে। অন্যান্যরা পেতে পারে ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ ভোট।
বিশ্লেষকরা বলছেন,
জরিপের এই আভাস স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে বাংলায় তৃণমূলের আধিপত্য থাকলেও বিজেপি বেশ কয়েকটি
নির্বাচনী এলাকায় নিজেদের অবস্থান আগের চেয়ে অনেক মজবুত করেছে। এপ্রিল মাসে দুই দফায়
ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
আগামী ২৩ এপ্রিল
প্রথম দফা এবং ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট শেষে ৪ মে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ওই দিনই
নির্ধারণ হবে টানা চতুর্থবারের মতো কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন দখল করবেন নাকি বিজেপি
বড় কোনো চমক দেখিয়ে ক্ষমতার পটপরিবর্তন ঘটাবে। একই দিনে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও আসাম, কেরালা,
তামিলনাড়ু ও পদুচেরির নির্বাচনের ফলাফল জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন