ভারতের ওড়িশা রাজ্যের কটক শহরে অবস্থিত এসসিবি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার ইউনিটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে সেখানে চিকিৎসাধীন অন্তত ১০ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ভোরে হাসপাতালের প্রথম তলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ওড়িশার
মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি সাংবাদিকদের জানান, সোমবার ভোরে ট্রমা আইসিইউ ওয়ার্ডে অগ্নিকাণ্ডের সময় মোট ২৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন
ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী আরও
জানান: ১০ জন রোগী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। তারা সবাই আশঙ্কাজনক অবস্থায় ট্রমা
ইউনিটে ভর্তি ছিলেন।
বাকি ১৩ জন রোগীকে দ্রুত উদ্ধার
করে অন্যান্য ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। রোগীদের
জীবন বাঁচাতে গিয়ে হাসপাতালের অন্তত ১১ জন কর্মী দগ্ধ হয়েছেন।
এই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত
বেদনাদায়ক’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর
পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে ২ হাজার ১৬০ মার্কিন ডলার (প্রায় ২.৫ লাখ
রুপি) অর্থ সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন।
ভারতে যথাযথ
অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জামের অভাব এবং নিরাপত্তা নীতিমালার অবহেলার কারণে ভবনগুলোতে
নিয়মিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বৈদ্যুতিক
শর্ট সার্কিট থেকে বড় ধরনের দুর্ঘটনা প্রায়ই লক্ষ্য করা যায়।
এর আগে ২০২৪ সালেও
ভারতে দুটি বড় হাসপাতাল অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল: ১. তামিলনাড়ু: একটি বেসরকারি হাসপাতালে আগুনে ৬ জন নিহত ও ২৪ জন আহত
হন। ২.
উত্তর প্রদেশ:
একটি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১০
জন নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
ভারতের ওড়িশা রাজ্যের কটক শহরে অবস্থিত এসসিবি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার ইউনিটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে সেখানে চিকিৎসাধীন অন্তত ১০ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ভোরে হাসপাতালের প্রথম তলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ওড়িশার
মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি সাংবাদিকদের জানান, সোমবার ভোরে ট্রমা আইসিইউ ওয়ার্ডে অগ্নিকাণ্ডের সময় মোট ২৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন
ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী আরও
জানান: ১০ জন রোগী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। তারা সবাই আশঙ্কাজনক অবস্থায় ট্রমা
ইউনিটে ভর্তি ছিলেন।
বাকি ১৩ জন রোগীকে দ্রুত উদ্ধার
করে অন্যান্য ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। রোগীদের
জীবন বাঁচাতে গিয়ে হাসপাতালের অন্তত ১১ জন কর্মী দগ্ধ হয়েছেন।
এই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত
বেদনাদায়ক’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর
পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে ২ হাজার ১৬০ মার্কিন ডলার (প্রায় ২.৫ লাখ
রুপি) অর্থ সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন।
ভারতে যথাযথ
অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জামের অভাব এবং নিরাপত্তা নীতিমালার অবহেলার কারণে ভবনগুলোতে
নিয়মিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বৈদ্যুতিক
শর্ট সার্কিট থেকে বড় ধরনের দুর্ঘটনা প্রায়ই লক্ষ্য করা যায়।
এর আগে ২০২৪ সালেও
ভারতে দুটি বড় হাসপাতাল অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল: ১. তামিলনাড়ু: একটি বেসরকারি হাসপাতালে আগুনে ৬ জন নিহত ও ২৪ জন আহত
হন। ২.
উত্তর প্রদেশ:
একটি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১০
জন নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।

আপনার মতামত লিখুন