মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের ১৬তম দিনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে প্রথমবারের মতো অত্যাধুনিক ‘সেজিল-২’ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর এই প্রথম তেহরান তাদের এই শক্তিশালী মরণাস্ত্র ব্যবহার করল। ইরানি সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরানের তৈরি
সেজিল-২ একটি মাঝারি পাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র,
যা সামরিক মহলে ‘সাজিল’ বা
‘আশুরা’ নামেও পরিচিত। এর সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো এর লক্ষ্যভেদী সক্ষমতা ও গতিপথ
পরিবর্তন।
অনেক উচ্চতায় ওড়ার
সময়ও এই ক্ষেপণাস্ত্র দিক পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে। এই অদ্ভূত ক্ষমতার কারণেই একে
‘ড্যান্সিং মিসাইল’ বা ‘নাচুনে ক্ষেপণাস্ত্র’ বলা হয়। এতে করে রাডার বা প্রতিরক্ষা
ব্যবস্থার পক্ষে একে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।
এই ক্ষেপণাস্ত্রে
কঠিন জ্বালানি ব্যবহার করা হয়, যা একে শাহাব সিরিজের তরল জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রের
চেয়ে দ্রুত উৎক্ষেপণযোগ্য করে তোলে।
গত মাসে শুরু হওয়া
এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যুদ্ধের প্রথম দিনেই
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
নিহত হওয়ার পর লড়াই আরও ভয়াবহ রূপ নেয়।
যুদ্ধ শুরুর পর
থেকে এ পর্যন্ত ইরানের প্রায় ১৫ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ও ইসরায়েলি বাহিনী।
চলমান যুদ্ধে ইতিমধ্যে ২
হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের বড় অংশই ইরানি নাগরিক।
বর্তমান পরিস্থিতি
মোকাবিলায় ওই অঞ্চলে ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’ নামক যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে পেন্টাগন,
যেখানে প্রায় ২ হাজার ৫০০
মার্কিন মেরিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।
জবাবে ইরানও
ইসরায়েলের পাশাপাশি উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে
লক্ষ্যবস্তু করছে। নতুন করে সেজিল-২ এর ব্যবহার এই যুদ্ধকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে
ঠেলে দিল বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের ১৬তম দিনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে প্রথমবারের মতো অত্যাধুনিক ‘সেজিল-২’ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর এই প্রথম তেহরান তাদের এই শক্তিশালী মরণাস্ত্র ব্যবহার করল। ইরানি সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইরানের তৈরি
সেজিল-২ একটি মাঝারি পাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র,
যা সামরিক মহলে ‘সাজিল’ বা
‘আশুরা’ নামেও পরিচিত। এর সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো এর লক্ষ্যভেদী সক্ষমতা ও গতিপথ
পরিবর্তন।
অনেক উচ্চতায় ওড়ার
সময়ও এই ক্ষেপণাস্ত্র দিক পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে। এই অদ্ভূত ক্ষমতার কারণেই একে
‘ড্যান্সিং মিসাইল’ বা ‘নাচুনে ক্ষেপণাস্ত্র’ বলা হয়। এতে করে রাডার বা প্রতিরক্ষা
ব্যবস্থার পক্ষে একে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।
এই ক্ষেপণাস্ত্রে
কঠিন জ্বালানি ব্যবহার করা হয়, যা একে শাহাব সিরিজের তরল জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রের
চেয়ে দ্রুত উৎক্ষেপণযোগ্য করে তোলে।
গত মাসে শুরু হওয়া
এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যুদ্ধের প্রথম দিনেই
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
নিহত হওয়ার পর লড়াই আরও ভয়াবহ রূপ নেয়।
যুদ্ধ শুরুর পর
থেকে এ পর্যন্ত ইরানের প্রায় ১৫ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ও ইসরায়েলি বাহিনী।
চলমান যুদ্ধে ইতিমধ্যে ২
হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের বড় অংশই ইরানি নাগরিক।
বর্তমান পরিস্থিতি
মোকাবিলায় ওই অঞ্চলে ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’ নামক যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে পেন্টাগন,
যেখানে প্রায় ২ হাজার ৫০০
মার্কিন মেরিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।
জবাবে ইরানও
ইসরায়েলের পাশাপাশি উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে
লক্ষ্যবস্তু করছে। নতুন করে সেজিল-২ এর ব্যবহার এই যুদ্ধকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে
ঠেলে দিল বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন