সাজা শেষে বিভিন্ন দেশের ১৩১ বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া। ফেরত পাঠানোদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন।
আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ রোববার (১৬ মার্চ) এক বিবৃতিতে জানায়, জোহর রাজ্যের পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে এসব বন্দিকে তাদের নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
ফেরত পাঠানোদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৭০ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। এছাড়া পাকিস্তানের ২৯ জন, ভারতের ৯ জন, শ্রীলঙ্কার ৮ জন, বাংলাদেশের ৪ জন, থাইল্যান্ডের ৪ জন, নেপালের ২ জন, চীনের ২ জন, কম্বোডিয়ার ২ জন এবং ফিলিপাইনের ১ জন নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ–১ ও কেএলআইএ–২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, পাসির গুদাং ফেরি টার্মিনাল ও রানতাউ পানজাং আইসিকিউএস সীমান্তপথ ব্যবহার করে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান বা ভ্রমণ টিকিটের খরচ বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, পরিবারের সহায়তা এবং কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় বহন করা হয়েছে।
ইমিগ্রেশন বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেসব বন্দিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাদের নাম মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন সিস্টেমে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই আবার মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে বন্দিদের নিজ দেশে পাঠানো তাদের অন্যতম নিয়মিত কার্যক্রম বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সাজা শেষ হওয়ার পর যেন কেউ অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই এ ধরনের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম চালানো হয়।
এছাড়া বন্দিদের প্রত্যাবাসনের টিকিট কেনা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ ডিটেনশন ডিপোর সার্ভিস কাউন্টার থেকেই সম্পন্ন করা যায়। এ ক্ষেত্রে কোনো অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ নেওয়া হয় না বলেও জানানো হয়েছে।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
সাজা শেষে বিভিন্ন দেশের ১৩১ বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া। ফেরত পাঠানোদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন।
আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ রোববার (১৬ মার্চ) এক বিবৃতিতে জানায়, জোহর রাজ্যের পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে এসব বন্দিকে তাদের নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
ফেরত পাঠানোদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৭০ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। এছাড়া পাকিস্তানের ২৯ জন, ভারতের ৯ জন, শ্রীলঙ্কার ৮ জন, বাংলাদেশের ৪ জন, থাইল্যান্ডের ৪ জন, নেপালের ২ জন, চীনের ২ জন, কম্বোডিয়ার ২ জন এবং ফিলিপাইনের ১ জন নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ–১ ও কেএলআইএ–২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, পাসির গুদাং ফেরি টার্মিনাল ও রানতাউ পানজাং আইসিকিউএস সীমান্তপথ ব্যবহার করে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান বা ভ্রমণ টিকিটের খরচ বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, পরিবারের সহায়তা এবং কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় বহন করা হয়েছে।
ইমিগ্রেশন বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেসব বন্দিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাদের নাম মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন সিস্টেমে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই আবার মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে বন্দিদের নিজ দেশে পাঠানো তাদের অন্যতম নিয়মিত কার্যক্রম বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সাজা শেষ হওয়ার পর যেন কেউ অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই এ ধরনের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম চালানো হয়।
এছাড়া বন্দিদের প্রত্যাবাসনের টিকিট কেনা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ ডিটেনশন ডিপোর সার্ভিস কাউন্টার থেকেই সম্পন্ন করা যায়। এ ক্ষেত্রে কোনো অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ নেওয়া হয় না বলেও জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন