ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) স্থানীয় সময় ভোরে দূতাবাস লক্ষ্য করে অন্তত একটি রকেট ও পাঁচটি ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল চলমান উত্তেজনার মধ্যে এটিই বাগদাদের মার্কিন মিশনে চালানো সবচেয়ে বড় হামলা বলে দাবি করছে নিরাপত্তা সূত্রগুলো।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, অন্তত তিনটি ড্রোনকে সরাসরি
দূতাবাসের দিকে উড়ে যেতে দেখেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এর মধ্যে দুটি ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষা
ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা সম্ভব হলেও একটি ড্রোন সরাসরি দূতাবাস চত্বরে আঘাত হানে।
হামলার পরপরই সেখান থেকে আগুনের লেলিহান শিখা ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। এছাড়া বিস্ফোরণের
বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলা
শুরুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে মোড় নেয়। এরপর থেকেই ইরাকে অবস্থিত
মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনায় ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো একের
পর এক হামলা চালিয়ে আসছে।
হামলার নেপথ্যে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাকে প্রভাবক হিসেবে দেখা
হচ্ছে: সোমবার ইরানপন্থী গোষ্ঠী ‘কাতাইব হিজবুল্লাহ’ জানায়, তাদের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার
ও মুখপাত্র নিহত হয়েছেন। সিরিয়া সীমান্তের কাছে ইরাকের আল-কায়েম শহরে বিমান হামলায়
পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ)-এর অন্তত ৮ যোদ্ধা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতেই মার্কিন দূতাবাসকে লক্ষ্য করে এই
বড় মাপের আক্রমণ চালানো হয়েছে।
হামলার পর বাগদাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন এবং কূটনৈতিক মিশন সমৃদ্ধ ‘গ্রিন জোন’ এলাকাটি সাধারণের জন্য
বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনী রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে অবস্থান নিয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, হামলার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মার্কিন
দূতাবাসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া
যায়নি।

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) স্থানীয় সময় ভোরে দূতাবাস লক্ষ্য করে অন্তত একটি রকেট ও পাঁচটি ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল চলমান উত্তেজনার মধ্যে এটিই বাগদাদের মার্কিন মিশনে চালানো সবচেয়ে বড় হামলা বলে দাবি করছে নিরাপত্তা সূত্রগুলো।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, অন্তত তিনটি ড্রোনকে সরাসরি
দূতাবাসের দিকে উড়ে যেতে দেখেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এর মধ্যে দুটি ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষা
ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা সম্ভব হলেও একটি ড্রোন সরাসরি দূতাবাস চত্বরে আঘাত হানে।
হামলার পরপরই সেখান থেকে আগুনের লেলিহান শিখা ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। এছাড়া বিস্ফোরণের
বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলা
শুরুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে মোড় নেয়। এরপর থেকেই ইরাকে অবস্থিত
মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনায় ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো একের
পর এক হামলা চালিয়ে আসছে।
হামলার নেপথ্যে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাকে প্রভাবক হিসেবে দেখা
হচ্ছে: সোমবার ইরানপন্থী গোষ্ঠী ‘কাতাইব হিজবুল্লাহ’ জানায়, তাদের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার
ও মুখপাত্র নিহত হয়েছেন। সিরিয়া সীমান্তের কাছে ইরাকের আল-কায়েম শহরে বিমান হামলায়
পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ)-এর অন্তত ৮ যোদ্ধা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতেই মার্কিন দূতাবাসকে লক্ষ্য করে এই
বড় মাপের আক্রমণ চালানো হয়েছে।
হামলার পর বাগদাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন এবং কূটনৈতিক মিশন সমৃদ্ধ ‘গ্রিন জোন’ এলাকাটি সাধারণের জন্য
বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনী রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে অবস্থান নিয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, হামলার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মার্কিন
দূতাবাসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া
যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন