ঈদযাত্রায় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বা অন্যায়ের সঙ্গে আপস করা হবে না বলেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর প্রধান প্রবেশ ও বাহিরের পথ গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব বলেন তিনি।
মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, “প্রতিবছর ঈদ যাত্রায় আমাদের ঘরমুখো মানুষের অনেক সমস্যা হয়। বিশেষ করে সড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। আবার অনেক সময় দেখা যায়, ঈদের আগের দিন রওনা দিয়েও ঠিক সময়ে বাড়িতে পেঁৗঁছাতে পারে না। এজন্য ঈদ যাত্রাকে এই বছর অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যাত্রীদের যাতে কোনো ধরনের হয়রানি, টিকিটের মূল্য বেশি নেওয়া, যানজট না হয় সেটা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকেও কোর্ডিনেশন মিটিং করা হয়েছে।”
বাস টার্মিনাল ঘিরে এতো নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জড়িত। টার্মিনাল কেন্দ্রিক মাদকসেবী, ছিনতাইকারীরা আছে, সব ধরনের লোকই এখানে আছে। এজন্য আমি এবার বাংলাদেশের সব ইউনিটকে বলে দিয়েছি এই ঈদযাত্রা সুষ্ঠু ও সুন্দর করার জন্য সব ইউনিটের ফোর্স নিয়োজিত থাকবে। বাংলাদেশ পুলিশ তৎপর। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বা কোনো অন্যায়ের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ নেই।
রাজধানীতে নানা স্থানে অবৈধ বাস কাউন্টারের বিষয়ে তিনি বলেন, আইজিপি হিসেবে যোগদানের পরই বলেছি ঢাকা শহরের ভেতরে দূরপাল্লার কোনো বাস কাউন্টার থাকতে পারবে না। এটা দূর করার জন্য আমাদের সবার প্রচেষ্টা দরকার। আইনের মাধ্যমে আমরা এসব দূর করবো।
টিকেটের মূল্য বেশি নেওয়ার পরও অভিযোগ না করার বিষয়ে তিনি বলেন, এটা আমাদের সমস্যা। আইন না জানাই একটা অপরাধ। জানার দায়িত্ব নিজের। প্রচলিত দেশের আইন জানা একজন নাগরিক হিসেবে নাগরিক দায়িত্ব। প্রধান দায়িত্ব আপনাকে আইন জানতে হবে। আপনি জানেন না, এসে বলবেন আমি এটা জানতাম না, এই অজুহাত মানবো না। প্রচলিত আইন জানা এটাও আমাদের দায়িত্ব।
বাস টার্মিনাল পরিদর্শনকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাস মালিক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
ঈদযাত্রায় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বা অন্যায়ের সঙ্গে আপস করা হবে না বলেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর প্রধান প্রবেশ ও বাহিরের পথ গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব বলেন তিনি।
মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, “প্রতিবছর ঈদ যাত্রায় আমাদের ঘরমুখো মানুষের অনেক সমস্যা হয়। বিশেষ করে সড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। আবার অনেক সময় দেখা যায়, ঈদের আগের দিন রওনা দিয়েও ঠিক সময়ে বাড়িতে পেঁৗঁছাতে পারে না। এজন্য ঈদ যাত্রাকে এই বছর অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যাত্রীদের যাতে কোনো ধরনের হয়রানি, টিকিটের মূল্য বেশি নেওয়া, যানজট না হয় সেটা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকেও কোর্ডিনেশন মিটিং করা হয়েছে।”
বাস টার্মিনাল ঘিরে এতো নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জড়িত। টার্মিনাল কেন্দ্রিক মাদকসেবী, ছিনতাইকারীরা আছে, সব ধরনের লোকই এখানে আছে। এজন্য আমি এবার বাংলাদেশের সব ইউনিটকে বলে দিয়েছি এই ঈদযাত্রা সুষ্ঠু ও সুন্দর করার জন্য সব ইউনিটের ফোর্স নিয়োজিত থাকবে। বাংলাদেশ পুলিশ তৎপর। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বা কোনো অন্যায়ের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ নেই।
রাজধানীতে নানা স্থানে অবৈধ বাস কাউন্টারের বিষয়ে তিনি বলেন, আইজিপি হিসেবে যোগদানের পরই বলেছি ঢাকা শহরের ভেতরে দূরপাল্লার কোনো বাস কাউন্টার থাকতে পারবে না। এটা দূর করার জন্য আমাদের সবার প্রচেষ্টা দরকার। আইনের মাধ্যমে আমরা এসব দূর করবো।
টিকেটের মূল্য বেশি নেওয়ার পরও অভিযোগ না করার বিষয়ে তিনি বলেন, এটা আমাদের সমস্যা। আইন না জানাই একটা অপরাধ। জানার দায়িত্ব নিজের। প্রচলিত দেশের আইন জানা একজন নাগরিক হিসেবে নাগরিক দায়িত্ব। প্রধান দায়িত্ব আপনাকে আইন জানতে হবে। আপনি জানেন না, এসে বলবেন আমি এটা জানতাম না, এই অজুহাত মানবো না। প্রচলিত আইন জানা এটাও আমাদের দায়িত্ব।
বাস টার্মিনাল পরিদর্শনকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাস মালিক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন