ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব ও প্রভাবশালী নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাথে চলমান সংঘাত শুরুর পর থেকে লারিজানিই এখন পর্যন্ত নিহত হওয়া ইরানের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিত্ব।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, গত সোমবার
রাতে ইসরাইলি বাহিনীর একটি সুনির্দিষ্ট হামলায় আলী লারিজানি প্রাণ হারান। উক্ত হামলায়
লারিজানির পুত্র এবং তার ডেপুটি আলিরেজা বায়াতও নিহত হয়েছেন।
আলী লারিজানিকে ইরানের রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী এবং কুশলী
ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তিনি সদ্যপ্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী
খামেনি এবং তার উত্তরসূরি মোজতবা খামেনির অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহযোগী ছিলেন। বিদেশি কূটনীতিক
ও অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে ভারসাম্য বজায় রেখে চলার ক্ষেত্রে তার বিশেষ
খ্যাতি ছিল।
লারিজানির মৃত্যুর পর মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো উত্তেজনা প্রশমনের
প্রস্তাব দিলেও ইরান তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা
খামেনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন।
পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রথম বৈঠকে অংশ নিয়ে মোজতবা খামেনি
কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন:
"যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে নতজানু করা হচ্ছে,
তারা পরাজয় স্বীকার করছে এবং ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে, ততক্ষণ শান্তির জন্য এটি সঠিক সময় নয়।"
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে পিতার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর থেকে মোজতবা
খামেনিকে এখনো প্রকাশ্যে কোনো ছবি বা ভিডিওতে দেখা যায়নি।
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইলি যুদ্ধ শুরু হওয়ার তিন সপ্তাহ
পার হতে চললেও পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার কোনো লক্ষণ নেই। সংঘাতটি দ্রুত একটি পূর্ণাঙ্গ
আঞ্চলিক যুদ্ধের দিকে মোড় নিচ্ছে।
এদিকে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ট্যাঙ্কার চলাচল স্বাভাবিক
করতে মিত্র দেশগুলোর কাছে সামরিক সহায়তা চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তবে মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে আশানুরূপ সাড়া না পাওয়ায় সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ট্রাম্প
তাদের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
সূত্র: রয়টার্স

বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব ও প্রভাবশালী নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাথে চলমান সংঘাত শুরুর পর থেকে লারিজানিই এখন পর্যন্ত নিহত হওয়া ইরানের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিত্ব।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, গত সোমবার
রাতে ইসরাইলি বাহিনীর একটি সুনির্দিষ্ট হামলায় আলী লারিজানি প্রাণ হারান। উক্ত হামলায়
লারিজানির পুত্র এবং তার ডেপুটি আলিরেজা বায়াতও নিহত হয়েছেন।
আলী লারিজানিকে ইরানের রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী এবং কুশলী
ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তিনি সদ্যপ্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী
খামেনি এবং তার উত্তরসূরি মোজতবা খামেনির অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহযোগী ছিলেন। বিদেশি কূটনীতিক
ও অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে ভারসাম্য বজায় রেখে চলার ক্ষেত্রে তার বিশেষ
খ্যাতি ছিল।
লারিজানির মৃত্যুর পর মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো উত্তেজনা প্রশমনের
প্রস্তাব দিলেও ইরান তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা
খামেনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন।
পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রথম বৈঠকে অংশ নিয়ে মোজতবা খামেনি
কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন:
"যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে নতজানু করা হচ্ছে,
তারা পরাজয় স্বীকার করছে এবং ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে, ততক্ষণ শান্তির জন্য এটি সঠিক সময় নয়।"
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে পিতার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর থেকে মোজতবা
খামেনিকে এখনো প্রকাশ্যে কোনো ছবি বা ভিডিওতে দেখা যায়নি।
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইলি যুদ্ধ শুরু হওয়ার তিন সপ্তাহ
পার হতে চললেও পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার কোনো লক্ষণ নেই। সংঘাতটি দ্রুত একটি পূর্ণাঙ্গ
আঞ্চলিক যুদ্ধের দিকে মোড় নিচ্ছে।
এদিকে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ট্যাঙ্কার চলাচল স্বাভাবিক
করতে মিত্র দেশগুলোর কাছে সামরিক সহায়তা চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তবে মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে আশানুরূপ সাড়া না পাওয়ায় সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ট্রাম্প
তাদের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
সূত্র: রয়টার্স

আপনার মতামত লিখুন