পবিত্র ঈদুল ফিতরের সকালে রক্তক্ষয়ী সহিংসতার সাক্ষী হলো জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণ। ঈদের নামাজ আদায় করতে আসা শত শত ফিলিস্তিনি মুসল্লির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আজ শুক্রবার সকালে মুসল্লিরা যখন আল-আকসা মসজিদের প্রাঙ্গণের কাছে ঈদের নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখনই ইসরায়েলি বাহিনী বাধা প্রদান করে। একপর্যায়ে তারা মুসল্লিদের লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালায় এবং মুহুর্মুহু টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং বহু মুসল্লি আহত হন।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই নিরাপত্তা ঝুঁকির অজুহাত দেখিয়ে আল-আকসা মসজিদ বন্ধ করে রেখেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। এই কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেই ফিলিস্তিনিরা তাদের পবিত্র ধর্মীয় উৎসব পালন করতে এসে এই ভয়াবহ সহিংসতার শিকার হলেন।
ঈদের দিনে আল-আকসা প্রাঙ্গণে এই হামলার ঘটনায় জেরুজালেমের সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, ধর্মীয় স্বাধীনতা হরণ করতেই রমজানের শুরু থেকে ইসরায়েল এই দমন-পীড়ন চালিয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক মহল এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মার্চ ২০২৬
পবিত্র ঈদুল ফিতরের সকালে রক্তক্ষয়ী সহিংসতার সাক্ষী হলো জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণ। ঈদের নামাজ আদায় করতে আসা শত শত ফিলিস্তিনি মুসল্লির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আজ শুক্রবার সকালে মুসল্লিরা যখন আল-আকসা মসজিদের প্রাঙ্গণের কাছে ঈদের নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখনই ইসরায়েলি বাহিনী বাধা প্রদান করে। একপর্যায়ে তারা মুসল্লিদের লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালায় এবং মুহুর্মুহু টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং বহু মুসল্লি আহত হন।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই নিরাপত্তা ঝুঁকির অজুহাত দেখিয়ে আল-আকসা মসজিদ বন্ধ করে রেখেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। এই কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেই ফিলিস্তিনিরা তাদের পবিত্র ধর্মীয় উৎসব পালন করতে এসে এই ভয়াবহ সহিংসতার শিকার হলেন।
ঈদের দিনে আল-আকসা প্রাঙ্গণে এই হামলার ঘটনায় জেরুজালেমের সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, ধর্মীয় স্বাধীনতা হরণ করতেই রমজানের শুরু থেকে ইসরায়েল এই দমন-পীড়ন চালিয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক মহল এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন