পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়তে পারে ঈদের আনন্দ। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ শনিবার সকালের পর থেকেই বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। দুপুরের পর বিকেল বা সন্ধ্যা থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, ‘প্রাক-মৌসুমি বায়ুর এই সময়ে হঠাৎ করে বৃষ্টি শুরু হতে পারে। ঈদের দিনও বিক্ষিপ্তভাবে প্রায় সারা দিনই বৃষ্টি হবে। তবু সকালে বৃষ্টিপাত কিছু কম থাকবে বলে আমরা আশা করছি।’
প্রকৃতির নিয়ম মেনেই মার্চ থেকে শুরু হয়েছে কালবৈশাখী। হঠাৎ আকাশে কালো মেঘ জমে নামছে বৃষ্টি। সঙ্গে কখনো ঝড়ো বাতাস, কখনো বজ্র। বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ। বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয়বাষ্প নিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমা বাতাস দেশে প্রবেশ করছে এবং উত্তরের হালকা বাতাসে মিশে মেঘ তৈরি করছে। এই মেঘের প্রভাবেই ঝরছে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান ও যশোরের কৃষ্ণনগর থেকে শুরু করে মালদা ও রাজশাহী পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে মেঘ জমছে। আজ শুক্রবার রাতেও রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, রাজশাহী, পাবনা, যশোর ও কুষ্টিয়ায় বজ্রসহ বৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক বলেন, ‘এই মেঘ ধীরে ধীরে পূর্ব দিকে সরতে থাকবে। আগামী চার-পাঁচ ঘণ্টায় আরও আট থেকে ১০টি জেলায় বৃষ্টি হতে পারে।’
পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী রোববার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। ২৩ তারিখ থেকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে শুরু করবে বলে ধারণা করছেন আবহাওয়াবিদরা।
আবহাওয়াবিদ নাজমুল হক আরও জানান, ঢাকায় হালকা বৃষ্টি থাকতে পারে। এ ছাড়া রংপুর, রাজশাহী, খুলনার কিছু অংশ, সিলেট ও ময়মনসিংহে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
ঈদের নামাজ আদায়ে যাওয়ার সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকায় মুসল্লিদের নিরাপদ স্থানে থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়তে পারে ঈদের আনন্দ। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ শনিবার সকালের পর থেকেই বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। দুপুরের পর বিকেল বা সন্ধ্যা থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, ‘প্রাক-মৌসুমি বায়ুর এই সময়ে হঠাৎ করে বৃষ্টি শুরু হতে পারে। ঈদের দিনও বিক্ষিপ্তভাবে প্রায় সারা দিনই বৃষ্টি হবে। তবু সকালে বৃষ্টিপাত কিছু কম থাকবে বলে আমরা আশা করছি।’
প্রকৃতির নিয়ম মেনেই মার্চ থেকে শুরু হয়েছে কালবৈশাখী। হঠাৎ আকাশে কালো মেঘ জমে নামছে বৃষ্টি। সঙ্গে কখনো ঝড়ো বাতাস, কখনো বজ্র। বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ। বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয়বাষ্প নিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমা বাতাস দেশে প্রবেশ করছে এবং উত্তরের হালকা বাতাসে মিশে মেঘ তৈরি করছে। এই মেঘের প্রভাবেই ঝরছে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান ও যশোরের কৃষ্ণনগর থেকে শুরু করে মালদা ও রাজশাহী পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে মেঘ জমছে। আজ শুক্রবার রাতেও রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, রাজশাহী, পাবনা, যশোর ও কুষ্টিয়ায় বজ্রসহ বৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক বলেন, ‘এই মেঘ ধীরে ধীরে পূর্ব দিকে সরতে থাকবে। আগামী চার-পাঁচ ঘণ্টায় আরও আট থেকে ১০টি জেলায় বৃষ্টি হতে পারে।’
পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী রোববার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। ২৩ তারিখ থেকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে শুরু করবে বলে ধারণা করছেন আবহাওয়াবিদরা।
আবহাওয়াবিদ নাজমুল হক আরও জানান, ঢাকায় হালকা বৃষ্টি থাকতে পারে। এ ছাড়া রংপুর, রাজশাহী, খুলনার কিছু অংশ, সিলেট ও ময়মনসিংহে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
ঈদের নামাজ আদায়ে যাওয়ার সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকায় মুসল্লিদের নিরাপদ স্থানে থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন