দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে অস্ট্রেলিয়ার মুসলিম উম্মাহর মধ্যে আনন্দের বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। বাংলাদেশের মতো আজ শনিবার (২১ মার্চ) সিডনিসহ অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা উৎসাহ-উদ্দীপনা ও যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপন করছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় সিডনির আকাশে চাঁদ দেখা দেওয়ার পরপরই অস্ট্রেলিয়ার 'বাংলাদেশ' খ্যাত লাকাম্বা এলাকা উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়। পাড়ায় পাড়ায় বেজে ওঠে নজরুলের সেই চিরচেনা সুর ও মন রমজানের
ঐ রোজার শেষে এল খুশির ঈদ’। ভোরের আলো
ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই মুসল্লিরা নতুন পোশাকে ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য বেরিয়ে পড়েন।
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের মতো বিশাল কোনো কেন্দ্রীয় ঈদগাহ না থাকলেও মসজিদ,
মাসাল্লা, পাবলিক পার্ক, কমিউনিটি হল ও স্কুল
প্রাঙ্গণে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত প্রতিটি রাজ্যে দফায় দফায় জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এসব জামাত পরিণত হয়েছিল বিভিন্ন দেশের মুসলিমদের এক বিশাল মিলনমেলায়,
যেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সরব উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
সিডনির সুন্দর রৌদ্রোজ্জ্বল ও শীতল সকালে
মুসল্লিরা লাকাম্বার ফয়জান-ই-মদিনা ইসলামিক
সেন্টার, প্যারি পার্ক, ব্যাংকস টাউন, লিডকম, লাকাম্বার দারুল উলুম কেন্দ্রীয় মসজিদ এবং রকডেল মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেন। এছাড়া লিভারপুল, মিন্টু, গ্রানভিল, গ্রিন-ভ্যালি, ম্যাসকট, মাউন্ট ডুরিথ, কাম্পবেলটাউন, গ্লেনফিল্ড, ম্যাকুরিফিল্ড এবং ইঙ্গেলবার্নসহ বিভিন্ন উপশহরের মসজিদ ও কনভেনশন হলগুলোতেও
বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি ঈদের জামাতে অংশ নেন।
নামাজ শেষে প্রবাসীরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করেন। প্রবাসের ব্যস্ত জীবনেও ঈদের এই দিনটিতে ঘরোয়া পরিবেশে দেশীয় খাবারের আয়োজন আর আড্ডায় মেতে ওঠেন সিডনি প্রবাসীরা। অনেকের জন্য এটি দেশের স্বজনদের ছেড়ে ঈদ করার এক মিশ্র অনুভূতির দিন হলেও, কমিউনিটির সবার সঙ্গে মিলেমিশে সেই অভাব ঘোচানোর চেষ্টা করেন তারা।

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে অস্ট্রেলিয়ার মুসলিম উম্মাহর মধ্যে আনন্দের বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। বাংলাদেশের মতো আজ শনিবার (২১ মার্চ) সিডনিসহ অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা উৎসাহ-উদ্দীপনা ও যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপন করছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় সিডনির আকাশে চাঁদ দেখা দেওয়ার পরপরই অস্ট্রেলিয়ার 'বাংলাদেশ' খ্যাত লাকাম্বা এলাকা উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়। পাড়ায় পাড়ায় বেজে ওঠে নজরুলের সেই চিরচেনা সুর ও মন রমজানের
ঐ রোজার শেষে এল খুশির ঈদ’। ভোরের আলো
ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই মুসল্লিরা নতুন পোশাকে ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য বেরিয়ে পড়েন।
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের মতো বিশাল কোনো কেন্দ্রীয় ঈদগাহ না থাকলেও মসজিদ,
মাসাল্লা, পাবলিক পার্ক, কমিউনিটি হল ও স্কুল
প্রাঙ্গণে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত প্রতিটি রাজ্যে দফায় দফায় জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এসব জামাত পরিণত হয়েছিল বিভিন্ন দেশের মুসলিমদের এক বিশাল মিলনমেলায়,
যেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সরব উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
সিডনির সুন্দর রৌদ্রোজ্জ্বল ও শীতল সকালে
মুসল্লিরা লাকাম্বার ফয়জান-ই-মদিনা ইসলামিক
সেন্টার, প্যারি পার্ক, ব্যাংকস টাউন, লিডকম, লাকাম্বার দারুল উলুম কেন্দ্রীয় মসজিদ এবং রকডেল মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেন। এছাড়া লিভারপুল, মিন্টু, গ্রানভিল, গ্রিন-ভ্যালি, ম্যাসকট, মাউন্ট ডুরিথ, কাম্পবেলটাউন, গ্লেনফিল্ড, ম্যাকুরিফিল্ড এবং ইঙ্গেলবার্নসহ বিভিন্ন উপশহরের মসজিদ ও কনভেনশন হলগুলোতেও
বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি ঈদের জামাতে অংশ নেন।
নামাজ শেষে প্রবাসীরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করেন। প্রবাসের ব্যস্ত জীবনেও ঈদের এই দিনটিতে ঘরোয়া পরিবেশে দেশীয় খাবারের আয়োজন আর আড্ডায় মেতে ওঠেন সিডনি প্রবাসীরা। অনেকের জন্য এটি দেশের স্বজনদের ছেড়ে ঈদ করার এক মিশ্র অনুভূতির দিন হলেও, কমিউনিটির সবার সঙ্গে মিলেমিশে সেই অভাব ঘোচানোর চেষ্টা করেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন