মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। রোববার (২২ মার্চ) রাতভর ইসরায়েলজুড়ে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। রাজধানী তেলআবিবসহ মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্লাস্টার ওয়ারহেডযুক্ত একাধিক শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ কিছু মিসাইল প্রতিহত করতে সক্ষম হলেও, কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এতে বিভিন্ন স্থানে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) পর্যন্ত ইসরায়েলের সকল স্কুল বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ৫০ জনের বেশি মানুষের সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে একাধিক সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইরানের রাজধানী তেহরানের পূর্বাঞ্চলেও ‘বিকট’ বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। আল জাজিরার প্রতিনিধি সুহাইব আল-আসা জানিয়েছেন, এই বিস্ফোরণের তীব্রতা ও শব্দ ছিল নজিরবিহীন, যা আগে কখনও দেখা যায়নি।
ইরানের এই হামলা শুধুমাত্র ইসরায়েলেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। বাহরাইন, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়েছে তেহরান। অন্যদিকে, ইরাকের ইরবিলে অবস্থিত ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের কার্যালয়ে ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরাকি সশস্ত্র বাহিনীগুলো।
পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে বাগদাদে ইরানপন্থী গোষ্ঠী পিএমএফের হেডকোয়ার্টারে
হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে পিএমএফ সদস্যরা প্রধান বিমানবন্দরে অবস্থিত মার্কিন কূটনীতিক ও লজিস্টিক সেন্টারে হামলা চালায়।
বর্তমানে ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। মার্কিন সেন্টকম থেকে আইআরজিসির একাধিক ড্রোন ধ্বংসের ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছে। পাওয়া তথ্য অনুযায়ী: গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের ১৫টি প্রদেশে কমপক্ষে ২০৬ বার হামলা চালানো হয়েছে। পুরো অঞ্চল এখন এক ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। রোববার (২২ মার্চ) রাতভর ইসরায়েলজুড়ে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। রাজধানী তেলআবিবসহ মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্লাস্টার ওয়ারহেডযুক্ত একাধিক শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ কিছু মিসাইল প্রতিহত করতে সক্ষম হলেও, কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এতে বিভিন্ন স্থানে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) পর্যন্ত ইসরায়েলের সকল স্কুল বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ৫০ জনের বেশি মানুষের সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে একাধিক সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইরানের রাজধানী তেহরানের পূর্বাঞ্চলেও ‘বিকট’ বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। আল জাজিরার প্রতিনিধি সুহাইব আল-আসা জানিয়েছেন, এই বিস্ফোরণের তীব্রতা ও শব্দ ছিল নজিরবিহীন, যা আগে কখনও দেখা যায়নি।
ইরানের এই হামলা শুধুমাত্র ইসরায়েলেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। বাহরাইন, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়েছে তেহরান। অন্যদিকে, ইরাকের ইরবিলে অবস্থিত ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের কার্যালয়ে ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরাকি সশস্ত্র বাহিনীগুলো।
পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে বাগদাদে ইরানপন্থী গোষ্ঠী পিএমএফের হেডকোয়ার্টারে
হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে পিএমএফ সদস্যরা প্রধান বিমানবন্দরে অবস্থিত মার্কিন কূটনীতিক ও লজিস্টিক সেন্টারে হামলা চালায়।
বর্তমানে ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। মার্কিন সেন্টকম থেকে আইআরজিসির একাধিক ড্রোন ধ্বংসের ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছে। পাওয়া তথ্য অনুযায়ী: গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের ১৫টি প্রদেশে কমপক্ষে ২০৬ বার হামলা চালানো হয়েছে। পুরো অঞ্চল এখন এক ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন