মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে এবার চরম সতর্কবার্তা দিল ইরান। তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্র বা পানি পরিশোধনাগারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক স্থাপনায় কোনো ধরনের হামলা চালানো হলে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। এমনটা ঘটলে বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ চিরতরে বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। গত কয়েক দিনে ইরানের বিভিন্ন প্রদেশে কয়েকশ বার বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী। তবে এবার ইরান তাদের ‘রেড লাইন’ বা সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিদ্যুৎ এবং পানি সরবরাহের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে আঘাত এলে তারা আর এক মুহূর্ত চুপ থাকবে না।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-তৃতীয়াংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই প্রণালি খুলে দেওয়ার আল্টিমেটাম দিলেও, ইরান এখন এটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি সত্যিই এই জলপথ বন্ধ করে দেয়, তবে বিশ্ব অর্থনীতিতে এক ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসবে এবং তেলের দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের ১৫টি প্রদেশে ২০৬টিরও বেশি হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেন্টকম ও ইসরায়েলি বাহিনী। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েলের রাজধানী তেলআবিবসহ বিভিন্ন স্থানে ক্লাস্টার ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। পাল্টাপাল্টি এই হুঁশিয়ারির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে এখন পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের দামামা বাজছে।

সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে এবার চরম সতর্কবার্তা দিল ইরান। তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্র বা পানি পরিশোধনাগারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক স্থাপনায় কোনো ধরনের হামলা চালানো হলে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। এমনটা ঘটলে বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ চিরতরে বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। গত কয়েক দিনে ইরানের বিভিন্ন প্রদেশে কয়েকশ বার বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী। তবে এবার ইরান তাদের ‘রেড লাইন’ বা সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিদ্যুৎ এবং পানি সরবরাহের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে আঘাত এলে তারা আর এক মুহূর্ত চুপ থাকবে না।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-তৃতীয়াংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই প্রণালি খুলে দেওয়ার আল্টিমেটাম দিলেও, ইরান এখন এটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি সত্যিই এই জলপথ বন্ধ করে দেয়, তবে বিশ্ব অর্থনীতিতে এক ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসবে এবং তেলের দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের ১৫টি প্রদেশে ২০৬টিরও বেশি হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেন্টকম ও ইসরায়েলি বাহিনী। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েলের রাজধানী তেলআবিবসহ বিভিন্ন স্থানে ক্লাস্টার ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। পাল্টাপাল্টি এই হুঁশিয়ারির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে এখন পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের দামামা বাজছে।

আপনার মতামত লিখুন