ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলা এখন চরম ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। রাজধানী তেহরানসহ দেশটির একের পর এক শহরে শক্তিশালী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠছে। বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আহভাজে একটি হাসপাতালে হামলার খবর পাওয়া গেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও শোচনীয় করে তুলেছে।
সোমবার (২৩ মার্চ) তেহরানের মধ্যাঞ্চলসহ পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে দফায় দফায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হামলা মোকাবিলায় ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার বিকট শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে জনমনে। শুধুমাত্র রাজধানী নয়, ইসফাহান এবং কারাজ শহরেও ভয়াবহ বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
ইরানজুড়ে চলমান এই হামলায় এখন
পর্যন্ত অন্তত ১,৫০০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। হামলার তীব্রতা বিবেচনায় এই সংখ্যা আরও
অনেক বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বার্তা সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী:
· বন্দর
আব্বাস: একটি রেডিও স্টেশন লক্ষ্য করে চালানো হামলায় একজন নিহত হয়েছেন।
·খোররামাবাদ
ও উর্মিয়া: দুটি আবাসিক এলাকায় সরাসরি হামলায় বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।
· আহভাজ: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় এই শহরের একটি হাসপাতাল সরাসরি হামলার কবলে পড়েছে।
ইরানিয়ান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে,
এখন পর্যন্ত ইরানের প্রায় ৮০
হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা হামলার শিকার হয়েছে। এর মধ্যে অনেক
ভবন পুরোপুরি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার তালিকায় রয়েছে: ১. হাসপাতাল ও
জরুরি সেবা কেন্দ্র। ২. স্কুল ও
বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ৩. রেড ক্রিসেন্টের
নিজস্ব কার্যালয়।
রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের আশ্রয়স্থল ও সেবা কেন্দ্রগুলো হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলা এখন চরম ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। রাজধানী তেহরানসহ দেশটির একের পর এক শহরে শক্তিশালী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠছে। বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আহভাজে একটি হাসপাতালে হামলার খবর পাওয়া গেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও শোচনীয় করে তুলেছে।
সোমবার (২৩ মার্চ) তেহরানের মধ্যাঞ্চলসহ পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে দফায় দফায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হামলা মোকাবিলায় ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার বিকট শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে জনমনে। শুধুমাত্র রাজধানী নয়, ইসফাহান এবং কারাজ শহরেও ভয়াবহ বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
ইরানজুড়ে চলমান এই হামলায় এখন
পর্যন্ত অন্তত ১,৫০০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। হামলার তীব্রতা বিবেচনায় এই সংখ্যা আরও
অনেক বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বার্তা সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী:
· বন্দর
আব্বাস: একটি রেডিও স্টেশন লক্ষ্য করে চালানো হামলায় একজন নিহত হয়েছেন।
·খোররামাবাদ
ও উর্মিয়া: দুটি আবাসিক এলাকায় সরাসরি হামলায় বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।
· আহভাজ: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় এই শহরের একটি হাসপাতাল সরাসরি হামলার কবলে পড়েছে।
ইরানিয়ান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে,
এখন পর্যন্ত ইরানের প্রায় ৮০
হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা হামলার শিকার হয়েছে। এর মধ্যে অনেক
ভবন পুরোপুরি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার তালিকায় রয়েছে: ১. হাসপাতাল ও
জরুরি সেবা কেন্দ্র। ২. স্কুল ও
বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ৩. রেড ক্রিসেন্টের
নিজস্ব কার্যালয়।
রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের আশ্রয়স্থল ও সেবা কেন্দ্রগুলো হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন