ঢাকার দোহারে সালমা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২২ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার ডাইয়াগজারিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সালমা বেগম ওই এলাকার আব্দুল গনি মিয়ার স্ত্রী।
নিহতের স্বামী আব্দুল গনি মিয়া জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তার চাচাতো ভাই আব্দুল মান্নানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জের ধরে রোববার বিকেলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে চাচাতো ভাই আব্দুল মান্নান, তার ছেলে আব্দুস সালাম, ভাতিজা জোবায়ের ও চাতক আক্তার মিলে তাকে মারধর করেন।
এ সময় আব্দুল গনির আত্মচিৎকারে তার স্ত্রী সালমা বেগম এগিয়ে এলে তাকেও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে অভিযুক্তরা। একপর্যায়ে সালমা বেগম মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাই ইদ্রিস আলী খান বলেন, ‘আমার বোনকে যারা হত্যা করেছে, আমি তাদের বিচার চাই।’
অভিযুক্ত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলে বাড়িতে তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।
দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, নিহতের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের পরিবার অভিযোগ দিলে এ ঘটনায় মামলা রেকর্ড করা হবে।

সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬
ঢাকার দোহারে সালমা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২২ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার ডাইয়াগজারিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সালমা বেগম ওই এলাকার আব্দুল গনি মিয়ার স্ত্রী।
নিহতের স্বামী আব্দুল গনি মিয়া জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তার চাচাতো ভাই আব্দুল মান্নানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জের ধরে রোববার বিকেলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে চাচাতো ভাই আব্দুল মান্নান, তার ছেলে আব্দুস সালাম, ভাতিজা জোবায়ের ও চাতক আক্তার মিলে তাকে মারধর করেন।
এ সময় আব্দুল গনির আত্মচিৎকারে তার স্ত্রী সালমা বেগম এগিয়ে এলে তাকেও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে অভিযুক্তরা। একপর্যায়ে সালমা বেগম মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাই ইদ্রিস আলী খান বলেন, ‘আমার বোনকে যারা হত্যা করেছে, আমি তাদের বিচার চাই।’
অভিযুক্ত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলে বাড়িতে তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।
দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, নিহতের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের পরিবার অভিযোগ দিলে এ ঘটনায় মামলা রেকর্ড করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন