মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সামাল দিতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে জাপান। আগামী বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) থেকে দেশটি তাদের কৌশলগত জাতীয় মজুত থেকে তেল ছাড়া শুরু করবে। আজ মঙ্গলবার জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এই ঘোষণা দেন। বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ
(সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানান, “সমগ্র জাপানের জন্য প্রয়োজনীয় তেলের সরবরাহ
নিশ্চিত করতে আমরা ২৬ মার্চ থেকে রাষ্ট্রীয় মজুত ছাড়ব।” এর আগে গত সোমবার থেকেই জাপান
বেসরকারি খাতের ১৫ দিনের সমপরিমাণ তেল মজুত বাজারে ছাড়ার কাজ শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী
আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, সরকারিভাবে সংরক্ষিত এক মাসের সমপরিমাণ তেলও পর্যায়ক্রমে বাজারে
ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
জাপান তার মোট চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশ তেল আমদানির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের
ওপর নির্ভরশীল। চলমান যুদ্ধের কারণে তেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় এবং সরবরাহ নিয়ে
শঙ্কা তৈরি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ আন্তর্জাতিক জ্বালানি
সংস্থা (আইইএ)-এর সদস্য দেশগুলো সমন্বিতভাবে তেল মজুত ব্যবহারের বিষয়ে একমত হয়। জাপানের
এই পদক্ষেপ সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের অংশ।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কৌশলগত তেলের মজুত রয়েছে জাপানের কাছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশটির ভাণ্ডারে ৪০ কোটি ব্যারেলেরও বেশি
তেলের মজুত ছিল। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায়
জাপানের এই বড় মজুত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সামাল দিতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে জাপান। আগামী বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) থেকে দেশটি তাদের কৌশলগত জাতীয় মজুত থেকে তেল ছাড়া শুরু করবে। আজ মঙ্গলবার জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এই ঘোষণা দেন। বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ
(সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানান, “সমগ্র জাপানের জন্য প্রয়োজনীয় তেলের সরবরাহ
নিশ্চিত করতে আমরা ২৬ মার্চ থেকে রাষ্ট্রীয় মজুত ছাড়ব।” এর আগে গত সোমবার থেকেই জাপান
বেসরকারি খাতের ১৫ দিনের সমপরিমাণ তেল মজুত বাজারে ছাড়ার কাজ শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী
আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, সরকারিভাবে সংরক্ষিত এক মাসের সমপরিমাণ তেলও পর্যায়ক্রমে বাজারে
ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
জাপান তার মোট চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশ তেল আমদানির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের
ওপর নির্ভরশীল। চলমান যুদ্ধের কারণে তেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় এবং সরবরাহ নিয়ে
শঙ্কা তৈরি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ আন্তর্জাতিক জ্বালানি
সংস্থা (আইইএ)-এর সদস্য দেশগুলো সমন্বিতভাবে তেল মজুত ব্যবহারের বিষয়ে একমত হয়। জাপানের
এই পদক্ষেপ সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের অংশ।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কৌশলগত তেলের মজুত রয়েছে জাপানের কাছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশটির ভাণ্ডারে ৪০ কোটি ব্যারেলেরও বেশি
তেলের মজুত ছিল। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায়
জাপানের এই বড় মজুত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন