লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান সদর দফতরসহ তেল আবিবের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে তেল আবিবের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ‘কিরিয়া’ কমপ্লেক্স লক্ষ্য করে একাধিক বিশেষ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে গোষ্ঠীটি নিশ্চিত করেছে।
হিজবুল্লাহর দাবি অনুযায়ী, তাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল তেল আবিবের
‘কিরিয়া’ এলাকা যেখানে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান কার্যালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ
সরকারি দফতর অবস্থিত। এর পাশাপাশি শহরের উত্তর অংশে অবস্থিত ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা
সংস্থার একটি স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তবে এসব হামলার বিষয়ে ইসরায়েল এখন
পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর অগ্রযাত্রা রুখতে হিজবুল্লাহর
যোদ্ধারা প্রতিরোধ অব্যাহত রেখেছে। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে:
এদিকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর স্থল অভিযান আরও
জোরদার করা হয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, দক্ষিণ
লেবাননে একটি ‘বাফার জোন’ বা নিরাপত্তা অঞ্চল গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। মূলত ইসরায়েলের
উত্তর সীমান্তকে হিজবুল্লাহর হামলা থেকে নিরাপদ রাখতেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে।
আঞ্চলিক এই উত্তেজনার মধ্যে ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র জোট ‘ইসলামিক
রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। গোষ্ঠীটি দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায়
তারা ইরাকসহ পুরো অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে মোট ২৩টি হামলা চালিয়েছে।
এক বিবৃতিতে তারা জানায়, এসব হামলায় ডজনখানেক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
সার্বিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যে হিজবুল্লাহ, ইসরায়েল এবং ইরাকি
সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর পাল্টাপাল্টি হামলায় পরিস্থিতি ক্রমেই আরও জটিল হয়ে উঠছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান সদর দফতরসহ তেল আবিবের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে তেল আবিবের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ‘কিরিয়া’ কমপ্লেক্স লক্ষ্য করে একাধিক বিশেষ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে গোষ্ঠীটি নিশ্চিত করেছে।
হিজবুল্লাহর দাবি অনুযায়ী, তাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল তেল আবিবের
‘কিরিয়া’ এলাকা যেখানে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান কার্যালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ
সরকারি দফতর অবস্থিত। এর পাশাপাশি শহরের উত্তর অংশে অবস্থিত ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা
সংস্থার একটি স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তবে এসব হামলার বিষয়ে ইসরায়েল এখন
পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর অগ্রযাত্রা রুখতে হিজবুল্লাহর
যোদ্ধারা প্রতিরোধ অব্যাহত রেখেছে। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে:
এদিকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর স্থল অভিযান আরও
জোরদার করা হয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, দক্ষিণ
লেবাননে একটি ‘বাফার জোন’ বা নিরাপত্তা অঞ্চল গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। মূলত ইসরায়েলের
উত্তর সীমান্তকে হিজবুল্লাহর হামলা থেকে নিরাপদ রাখতেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে।
আঞ্চলিক এই উত্তেজনার মধ্যে ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র জোট ‘ইসলামিক
রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। গোষ্ঠীটি দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায়
তারা ইরাকসহ পুরো অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে মোট ২৩টি হামলা চালিয়েছে।
এক বিবৃতিতে তারা জানায়, এসব হামলায় ডজনখানেক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
সার্বিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যে হিজবুল্লাহ, ইসরায়েল এবং ইরাকি
সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর পাল্টাপাল্টি হামলায় পরিস্থিতি ক্রমেই আরও জটিল হয়ে উঠছে।

আপনার মতামত লিখুন