মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যে আকাশপথে বড় ধরনের সাফল্যের দাবি করেছে তেহরান। চাবাহার অঞ্চলে একটি মার্কিন এফ/এ-১৮ (F/A-18) হর্নেট যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এর প্রমাণ হিসেবে তারা একটি ভিডিও ফুটেজও প্রকাশ করেছে। তবে ওয়াশিংটন এই দাবিকে সরাসরি ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, বুধবার (২৫ মার্চ) চাবাহার অঞ্চলে তারা
একটি মার্কিন বহুমুখী যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্যবস্তু করে সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। ইরানের
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’তে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আকাশে উড়ন্ত
একটি যুদ্ধবিমানের কাছে হঠাৎ বিস্ফোরণের ঝলক দেখা যাচ্ছে এবং বিমানটি ধোঁয়া ছেড়ে ভারসাম্য
হারিয়ে ফেলছে। তবে হামলার সঠিক স্থান বা পাইলটের অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি
তেহরান।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে জানিয়েছে, ইরানের দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তারা
স্পষ্ট করে বলেছে, "ইরানের দ্বারা কোনো মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়নি।"
এদিকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট এক সংবাদ
সম্মেলনে ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "ইরান যদি বাস্তবতা মেনে পরাজয় স্বীকার
না করে, তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিশ্চিত করবেন যেন তাদের ওপর আগের চেয়েও ভয়াবহ আঘাত
হানা হয়।" তিনি আরও যোগ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো ‘ফাঁকা বুলি’ দেন না।
সংলাপের গুঞ্জন থাকলেও যুদ্ধক্ষেত্র মোটেও শান্ত নয়। সর্বশেষ
পরিস্থিতি একনজরে:
হোয়াইট হাউস ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’র কথা বললেও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আব্বাস আরাঘচি তা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি জানান, ওয়াশিংটনের সাথে কোনো আলোচনা
চলছে না। যেকোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে হলে ধ্বংসযজ্ঞের দায়ভার গ্রহণ এবং পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি
নিশ্চিত করতে হবে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ অভিযোগ
করেছেন, একটি আঞ্চলিক দেশের সহায়তায় ইরানের একটি দ্বীপ দখলের ষড়যন্ত্র চলছে। অন্যদিকে,
যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী থমকে গেছে। আন্তর্জাতিক
সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) জানিয়েছে, সেখানে বর্তমানে ২ হাজার জাহাজ এবং ২০ হাজার নাবিক
আটকা পড়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যে আকাশপথে বড় ধরনের সাফল্যের দাবি করেছে তেহরান। চাবাহার অঞ্চলে একটি মার্কিন এফ/এ-১৮ (F/A-18) হর্নেট যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এর প্রমাণ হিসেবে তারা একটি ভিডিও ফুটেজও প্রকাশ করেছে। তবে ওয়াশিংটন এই দাবিকে সরাসরি ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, বুধবার (২৫ মার্চ) চাবাহার অঞ্চলে তারা
একটি মার্কিন বহুমুখী যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্যবস্তু করে সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। ইরানের
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’তে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আকাশে উড়ন্ত
একটি যুদ্ধবিমানের কাছে হঠাৎ বিস্ফোরণের ঝলক দেখা যাচ্ছে এবং বিমানটি ধোঁয়া ছেড়ে ভারসাম্য
হারিয়ে ফেলছে। তবে হামলার সঠিক স্থান বা পাইলটের অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি
তেহরান।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে জানিয়েছে, ইরানের দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তারা
স্পষ্ট করে বলেছে, "ইরানের দ্বারা কোনো মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়নি।"
এদিকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট এক সংবাদ
সম্মেলনে ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "ইরান যদি বাস্তবতা মেনে পরাজয় স্বীকার
না করে, তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিশ্চিত করবেন যেন তাদের ওপর আগের চেয়েও ভয়াবহ আঘাত
হানা হয়।" তিনি আরও যোগ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো ‘ফাঁকা বুলি’ দেন না।
সংলাপের গুঞ্জন থাকলেও যুদ্ধক্ষেত্র মোটেও শান্ত নয়। সর্বশেষ
পরিস্থিতি একনজরে:
হোয়াইট হাউস ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’র কথা বললেও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আব্বাস আরাঘচি তা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি জানান, ওয়াশিংটনের সাথে কোনো আলোচনা
চলছে না। যেকোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে হলে ধ্বংসযজ্ঞের দায়ভার গ্রহণ এবং পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি
নিশ্চিত করতে হবে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ অভিযোগ
করেছেন, একটি আঞ্চলিক দেশের সহায়তায় ইরানের একটি দ্বীপ দখলের ষড়যন্ত্র চলছে। অন্যদিকে,
যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী থমকে গেছে। আন্তর্জাতিক
সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) জানিয়েছে, সেখানে বর্তমানে ২ হাজার জাহাজ এবং ২০ হাজার নাবিক
আটকা পড়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন