চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যেই নমনীয়তার আভাস দিল তেহরান। শান্তি আলোচনায় নিজেদের সদিচ্ছা প্রমাণ করতে যুক্তরাষ্ট্রের ১০টি তেলবাহী ট্যাংকারকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ পার হওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স
এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
মন্ত্রিসভার বৈঠকে দাবি করেছেন, এই ১০টি ট্যাংকারই পাকিস্তানের পতাকাবাহী। তিনি তেহরানের
এই পদক্ষেপকে আমেরিকার প্রতি একটি ‘উপহার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবারও ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ইরান তাকে
একটি অত্যন্ত ‘দামি উপহার’ পাঠিয়েছে। তবে সেই উপহারটি আসলে কী, তা তিনি তখন জনসমক্ষে
প্রকাশ করেননি।
ইরান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা বিদ্যমান সংকট
নিরসনে এবং শান্তি আলোচনার বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক। সেই আন্তরিকতার প্রমাণ হিসেবেই প্রথমে
৮টি বড় তেলের ট্যাংকারকে হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সবুজ সংকেত দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আরও
২টি জাহাজকে যাওয়ার অনুমতি দেয় দেশটি। ১০টি নৌযানই পাকিস্তানের পতাকাবাহী হলেও এগুলো
যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট।
ইরান এই পথটি আটকে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল, এই
পদক্ষেপের ফলে তা কিছুটা হলেও প্রশমিত হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। ট্রাম্পের
দেওয়া ৬ এপ্রিল পর্যন্ত নতুন সময়সীমার মধ্যেই ইরানের এই ইতিবাচক সাড়া সংঘাত এড়ানোর
পথ প্রশস্ত করতে পারে।

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যেই নমনীয়তার আভাস দিল তেহরান। শান্তি আলোচনায় নিজেদের সদিচ্ছা প্রমাণ করতে যুক্তরাষ্ট্রের ১০টি তেলবাহী ট্যাংকারকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ পার হওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স
এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
মন্ত্রিসভার বৈঠকে দাবি করেছেন, এই ১০টি ট্যাংকারই পাকিস্তানের পতাকাবাহী। তিনি তেহরানের
এই পদক্ষেপকে আমেরিকার প্রতি একটি ‘উপহার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবারও ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ইরান তাকে
একটি অত্যন্ত ‘দামি উপহার’ পাঠিয়েছে। তবে সেই উপহারটি আসলে কী, তা তিনি তখন জনসমক্ষে
প্রকাশ করেননি।
ইরান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা বিদ্যমান সংকট
নিরসনে এবং শান্তি আলোচনার বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক। সেই আন্তরিকতার প্রমাণ হিসেবেই প্রথমে
৮টি বড় তেলের ট্যাংকারকে হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সবুজ সংকেত দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আরও
২টি জাহাজকে যাওয়ার অনুমতি দেয় দেশটি। ১০টি নৌযানই পাকিস্তানের পতাকাবাহী হলেও এগুলো
যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট।
ইরান এই পথটি আটকে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল, এই
পদক্ষেপের ফলে তা কিছুটা হলেও প্রশমিত হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। ট্রাম্পের
দেওয়া ৬ এপ্রিল পর্যন্ত নতুন সময়সীমার মধ্যেই ইরানের এই ইতিবাচক সাড়া সংঘাত এড়ানোর
পথ প্রশস্ত করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন