ইরানের সঙ্গে একদিকে যখন শান্তি আলোচনার কথা বলছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, অন্যদিকে ঠিক সেই সময়েই মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বৃদ্ধির বড়সড় পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন। পেন্টাগন সূত্রে খবর, ওই অঞ্চলে আরও ১০ হাজার পর্যন্ত অতিরিক্ত স্থলসেনা মোতায়েনের কথা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।
মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে
প্রয়োজনীয় সামরিক সহায়তা দিতেই এই সেনা মোতায়েনের কথা ভাবছে পেন্টাগন। প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, প্রস্তাবিত
এই নতুন বাহিনীতে মূলত পদাতিক সৈন্য এবং ভারী সাঁজোয়া যান অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
বর্তমানে ওই অঞ্চলে মোতায়েনের অপেক্ষায় থাকা প্রায় ৫ হাজার
মেরিন সেনা এবং ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের প্রায় ২ হাজার প্যারাট্রুপারের সঙ্গে
এই ১০ হাজার অতিরিক্ত স্থলসেনা যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাবে।
যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ইরানের সঙ্গে আলোচনা 'বেশ ভালোভাবে'
এগোচ্ছে এবং তিনি ৬ এপ্রিল পর্যন্ত সময়সীমা বাড়িয়েছেন, তবুও নতুন করে সেনা পাঠানোর
এই চিন্তা ভিন্ন ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার পাশাপাশি সামরিক চাপ বজায়
রাখতেই ট্রাম্প প্রশাসন এই দ্বিমুখী কৌশল অবলম্বন করছে।

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
ইরানের সঙ্গে একদিকে যখন শান্তি আলোচনার কথা বলছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, অন্যদিকে ঠিক সেই সময়েই মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বৃদ্ধির বড়সড় পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন। পেন্টাগন সূত্রে খবর, ওই অঞ্চলে আরও ১০ হাজার পর্যন্ত অতিরিক্ত স্থলসেনা মোতায়েনের কথা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।
মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে
প্রয়োজনীয় সামরিক সহায়তা দিতেই এই সেনা মোতায়েনের কথা ভাবছে পেন্টাগন। প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, প্রস্তাবিত
এই নতুন বাহিনীতে মূলত পদাতিক সৈন্য এবং ভারী সাঁজোয়া যান অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
বর্তমানে ওই অঞ্চলে মোতায়েনের অপেক্ষায় থাকা প্রায় ৫ হাজার
মেরিন সেনা এবং ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের প্রায় ২ হাজার প্যারাট্রুপারের সঙ্গে
এই ১০ হাজার অতিরিক্ত স্থলসেনা যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাবে।
যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ইরানের সঙ্গে আলোচনা 'বেশ ভালোভাবে'
এগোচ্ছে এবং তিনি ৬ এপ্রিল পর্যন্ত সময়সীমা বাড়িয়েছেন, তবুও নতুন করে সেনা পাঠানোর
এই চিন্তা ভিন্ন ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার পাশাপাশি সামরিক চাপ বজায়
রাখতেই ট্রাম্প প্রশাসন এই দ্বিমুখী কৌশল অবলম্বন করছে।

আপনার মতামত লিখুন