দেশের একদিকে তাপপ্রবাহে পুড়ছে কয়েকটি অঞ্চল।অন্যদিকে ১৫ জেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ফলে আবহাওয়ায় তৈরি হয়েছে বিপরীতমুখী পরিস্থিতি।
রোববার (৫ এপ্রিল) আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের অন্তত ৬টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এসব এলাকায় দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকায় জনজীবনে অস্বস্তি বেড়েছে। বিশেষ করে খোলা স্থানে কাজ করা মানুষ ও শ্রমজীবীরা বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন।
এদিকে, একই সময়ে দেশের ১৫টি জেলায় কালবৈশাখী ঝড়, দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের পক্ষে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির স্বাক্ষরিত নদীবন্দর সমূহের জন্য এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ফেনী ও কক্সবাজার জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বা তারও বেশি বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাত ও স্বল্পস্থায়ী ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে, যা নৌযান চলাচল ও খোলা স্থানে থাকা মানুষের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, গ্রীষ্মের শুরুতে এ ধরনের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও একই সময়ে তাপপ্রবাহ ও কালবৈশাখীর উপস্থিতি আবহাওয়াকে আরও অস্থির করে তুলছে।
এ অবস্থায় তাপপ্রবাহপ্রবণ এলাকায় পর্যাপ্ত পানি পান ও রোদ এড়িয়ে চলার পাশাপাশি ঝড়প্রবণ অঞ্চলে অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
দেশের একদিকে তাপপ্রবাহে পুড়ছে কয়েকটি অঞ্চল।অন্যদিকে ১৫ জেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ফলে আবহাওয়ায় তৈরি হয়েছে বিপরীতমুখী পরিস্থিতি।
রোববার (৫ এপ্রিল) আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের অন্তত ৬টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এসব এলাকায় দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকায় জনজীবনে অস্বস্তি বেড়েছে। বিশেষ করে খোলা স্থানে কাজ করা মানুষ ও শ্রমজীবীরা বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন।
এদিকে, একই সময়ে দেশের ১৫টি জেলায় কালবৈশাখী ঝড়, দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের পক্ষে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির স্বাক্ষরিত নদীবন্দর সমূহের জন্য এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ফেনী ও কক্সবাজার জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বা তারও বেশি বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাত ও স্বল্পস্থায়ী ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে, যা নৌযান চলাচল ও খোলা স্থানে থাকা মানুষের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, গ্রীষ্মের শুরুতে এ ধরনের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও একই সময়ে তাপপ্রবাহ ও কালবৈশাখীর উপস্থিতি আবহাওয়াকে আরও অস্থির করে তুলছে।
এ অবস্থায় তাপপ্রবাহপ্রবণ এলাকায় পর্যাপ্ত পানি পান ও রোদ এড়িয়ে চলার পাশাপাশি ঝড়প্রবণ অঞ্চলে অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আপনার মতামত লিখুন