চাঁদ অভিযানের পথে ইতিহাস গড়া আর্টেমিস-২ মিশনের চার মহাকাশচারী সফলভাবে পৃথিবী থেকে অর্ধেকের বেশি দূরত্ব অতিক্রম করেছেন। নাসার ওরিয়ন মহাকাশযানে করে তারা এখন চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ বলয়ের দিকে এগিয়ে চলেছেন। আগামীকাল সোমবার (৬ এপ্রিল) তারা চাঁদের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মহাকাশযানের পাইলট ভিক্টর গ্লোভার নাসার মিশন কন্ট্রোলকে জানিয়েছেন, ‘পৃথিবী বেশ ছোট হয়ে আসছে। আর চাঁদ ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে।’ মহাকাশচারীরা ইতিমধ্যে চাঁদের দূরপার্শ্বের কিছু অংশ পর্যবেক্ষণ করেছে। নাসার বৈজ্ঞানিক দলের জন্য ছবি ও ভিডিও ধারণ করেছেন।
ক্রিস্টিনা হ্যামক কচ এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘আমি পৃথিবী থেকে যে চাঁদ দেখে অভ্যস্ত, সেটার মতো দেখতে নয়।’
মূলত, আর্টেমিস–২–এর নভোচারীরা চাঁদের চারপাশে প্রদক্ষিণের জন্য শেষ সময়ের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছেন।চাঁদের পিঠের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ, চারপাশে ঘোরার সময় ছবি তোলাসহ বিভিন্ন কাজের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
নাসার তথ্য অনুযায়ী, শনিবার গ্রিনিচ মান সময় বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটের দিকে নভোচারীরা পৃথিবী থেকে প্রায় ১ লাখ ৬৯ হাজার মাইল (২ লাখ ৭১ হাজার ৯৭৯ কিলোমিটার) দূরে ছিলেন। আর চাঁদ থেকে তাদের দূরত্ব ছিল প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার ৭০০ মাইল (১ লাখ ৭৮ হাজার ১৫৪ কিলোমিটার)।
তবে সবকিছু পরিকল্পনা মতো এগোলেও অপ্রত্যাশিত প্রযুক্তিগত জটিলতা দেখা দিয়েছে। ওরিয়ন মহাকাশযানের একমাত্র টয়লেটটি বিকল হয়ে গেছে। নাসা নিশ্চিত করেছে যে বরফ জমে নিষ্কাশন লাইনে ব্লকেজ সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মহাকাশচারীরা বর্তমানে ব্যাকআপ ইউরিন কালেকশন ব্যাগ ব্যবহার করছেন। তবে টয়লেটটি কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশনে সচল আছে।
মহাকাশচারীরা টয়লেট থেকে দুর্গন্ধও পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। ওরিয়ন প্রোগ্রামের ডেপুটি ম্যানেজার ডেবি কোর্থ বলেন, ‘স্পেস টয়লেট নিয়ে সমস্যা সবাই বুঝতে পারে... এটি সবসময়ই একটি চ্যালেঞ্জ।’
আর্টমিস থেকে দেখা যাচ্ছে একফালি চাঁদের মতো পৃথিবীর রূপ
এই মিশনের মাধ্যমেই মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী (ক্রিস্টিনা হ্যামক কচ) ও একজন কৃষ্ণাঙ্গ মহাকাশচারী (ভিক্টর গ্লোভার) চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছাতে যাচ্ছেন। এছাড়া কানাডার জেরেমি হ্যানসেন প্রথম অ-মার্কিন নাগরিক হিসেবে চাঁদ অভিযানে অংশ নিচ্ছেন।
১০ দিনের এই অভিযান আগামী ১০ এপ্রিল প্রশান্ত মহাসাগরে স্প্ল্যাশডাউনের মাধ্যমে শেষ হবে বলে জানিয়েছে নাসা।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
চাঁদ অভিযানের পথে ইতিহাস গড়া আর্টেমিস-২ মিশনের চার মহাকাশচারী সফলভাবে পৃথিবী থেকে অর্ধেকের বেশি দূরত্ব অতিক্রম করেছেন। নাসার ওরিয়ন মহাকাশযানে করে তারা এখন চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ বলয়ের দিকে এগিয়ে চলেছেন। আগামীকাল সোমবার (৬ এপ্রিল) তারা চাঁদের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মহাকাশযানের পাইলট ভিক্টর গ্লোভার নাসার মিশন কন্ট্রোলকে জানিয়েছেন, ‘পৃথিবী বেশ ছোট হয়ে আসছে। আর চাঁদ ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে।’ মহাকাশচারীরা ইতিমধ্যে চাঁদের দূরপার্শ্বের কিছু অংশ পর্যবেক্ষণ করেছে। নাসার বৈজ্ঞানিক দলের জন্য ছবি ও ভিডিও ধারণ করেছেন।
ক্রিস্টিনা হ্যামক কচ এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘আমি পৃথিবী থেকে যে চাঁদ দেখে অভ্যস্ত, সেটার মতো দেখতে নয়।’
মূলত, আর্টেমিস–২–এর নভোচারীরা চাঁদের চারপাশে প্রদক্ষিণের জন্য শেষ সময়ের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছেন।চাঁদের পিঠের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ, চারপাশে ঘোরার সময় ছবি তোলাসহ বিভিন্ন কাজের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
নাসার তথ্য অনুযায়ী, শনিবার গ্রিনিচ মান সময় বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটের দিকে নভোচারীরা পৃথিবী থেকে প্রায় ১ লাখ ৬৯ হাজার মাইল (২ লাখ ৭১ হাজার ৯৭৯ কিলোমিটার) দূরে ছিলেন। আর চাঁদ থেকে তাদের দূরত্ব ছিল প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার ৭০০ মাইল (১ লাখ ৭৮ হাজার ১৫৪ কিলোমিটার)।
তবে সবকিছু পরিকল্পনা মতো এগোলেও অপ্রত্যাশিত প্রযুক্তিগত জটিলতা দেখা দিয়েছে। ওরিয়ন মহাকাশযানের একমাত্র টয়লেটটি বিকল হয়ে গেছে। নাসা নিশ্চিত করেছে যে বরফ জমে নিষ্কাশন লাইনে ব্লকেজ সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মহাকাশচারীরা বর্তমানে ব্যাকআপ ইউরিন কালেকশন ব্যাগ ব্যবহার করছেন। তবে টয়লেটটি কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশনে সচল আছে।
মহাকাশচারীরা টয়লেট থেকে দুর্গন্ধও পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। ওরিয়ন প্রোগ্রামের ডেপুটি ম্যানেজার ডেবি কোর্থ বলেন, ‘স্পেস টয়লেট নিয়ে সমস্যা সবাই বুঝতে পারে... এটি সবসময়ই একটি চ্যালেঞ্জ।’
আর্টমিস থেকে দেখা যাচ্ছে একফালি চাঁদের মতো পৃথিবীর রূপ
এই মিশনের মাধ্যমেই মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী (ক্রিস্টিনা হ্যামক কচ) ও একজন কৃষ্ণাঙ্গ মহাকাশচারী (ভিক্টর গ্লোভার) চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছাতে যাচ্ছেন। এছাড়া কানাডার জেরেমি হ্যানসেন প্রথম অ-মার্কিন নাগরিক হিসেবে চাঁদ অভিযানে অংশ নিচ্ছেন।
১০ দিনের এই অভিযান আগামী ১০ এপ্রিল প্রশান্ত মহাসাগরে স্প্ল্যাশডাউনের মাধ্যমে শেষ হবে বলে জানিয়েছে নাসা।

আপনার মতামত লিখুন