কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আর আগের অবস্থায় ফিরবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী (আইআরজিসি)। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য এই জলপথে আধিপত্যের যুগ শেষ হয়েছে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে তারা।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত
এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, পারস্য উপসাগরে ইরানের পক্ষ থেকে একটি ‘নতুন ব্যবস্থা’
কার্যকর করা হচ্ছে। এই লক্ষ্যে তেহরান এখন সামরিক প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক এই জলপথে বিদেশি শক্তির খবরদারি আর বরদাশত করা হবে না।
ইরানের পার্লামেন্টে ইতিমধ্যে একটি খসড়া আইনের অগ্রগতি হয়েছে।
এতে বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে:
এদিকে ইরানের এই কঠোর অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় সরব হয়েছেন
ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে তিনি ইরানকে
চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালি অবাধ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া
না হলে আগামী মঙ্গলবার ইরানের সব কিছু গুড়িয়ে এক করে দেওয়া হবে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এমন মুখোমুখি অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যে
নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশ্বের জ্বালানি তেলের একটি বড়
অংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় বিশ্ববাজারেও এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আর আগের অবস্থায় ফিরবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী (আইআরজিসি)। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য এই জলপথে আধিপত্যের যুগ শেষ হয়েছে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে তারা।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত
এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, পারস্য উপসাগরে ইরানের পক্ষ থেকে একটি ‘নতুন ব্যবস্থা’
কার্যকর করা হচ্ছে। এই লক্ষ্যে তেহরান এখন সামরিক প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক এই জলপথে বিদেশি শক্তির খবরদারি আর বরদাশত করা হবে না।
ইরানের পার্লামেন্টে ইতিমধ্যে একটি খসড়া আইনের অগ্রগতি হয়েছে।
এতে বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে:
এদিকে ইরানের এই কঠোর অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় সরব হয়েছেন
ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে তিনি ইরানকে
চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালি অবাধ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া
না হলে আগামী মঙ্গলবার ইরানের সব কিছু গুড়িয়ে এক করে দেওয়া হবে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এমন মুখোমুখি অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যে
নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশ্বের জ্বালানি তেলের একটি বড়
অংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় বিশ্ববাজারেও এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন