সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

ঢাবির অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন



ঢাবির অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
ঢাবির অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকেতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

মুক্তিযুদ্ধকে পাহারা দেয়াও আমাদের দায়িত্ব: ড. শাহাদুজ্জামান

যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে (ডিইউএউকে)’ যথাযোগ্য মর্যাদা ও দেশাত্মবোধের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে। 

শনিবার (২৮ মার্চ) পূর্ব লন্ডনের একটি হলে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সিরাজুল বাসিত চৌধুরী এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কামরুল হাসান। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ জাফর।

আলোচনা পর্ব : শুরুতে বক্তারা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। বিশেষ করে ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামক বর্বর অভিযানে নিহত নিরীহ বাঙালিদের স্মরণ করেন তারা।

সাংস্কৃতিক সম্পাদক এরিনা সিদ্দিকী সুপ্রভার সঞ্চালনায় সমবেত কণ্ঠে পরিবেশিত হয় দেশাত্মবোধক গান ‘ধন ধান্যে পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’। সভাপতি সিরাজুল বাসিত চৌধুরী তার বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হওয়ার পেছনে যাদের অবদান রয়েছে, সবাইকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানের সমন্বয়কারী নিলুফা ইয়াসমীন হাসান তার বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের ওপর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বিশেষভাবে ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যার কথা উল্লেখ করে বলেন, রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনী সে সময় অনেক ঢাবি শিক্ষককে হত্যা করে।

প্রধান আলোচকের বক্তব্য: অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রখ্যাত লেখক ও ইউনিভার্সিটি অব সাসেক্সের অধ্যাপক ড. শাহাদুজ্জামান বলেন, ‘বাংলাদেশের একটি গৌরবময় ও স্বর্ণালী ইতিহাস আছে। যারা মনে করেন মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অস্তিত্বের সত্তার অংশ, সেই মুক্তিযুদ্ধকে পাহারা দেয়াও আমাদের দায়িত্ব।’

অধ্যাপক ড. শাহাদুজ্জামান আরও বলেন, ‘আমরা অনেক ত্যাগ ও বেদনার মধ্যে দিয়ে গেছি। ৫৬ বছর পর এখন সময় এসেছে একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ চাওয়ার। সবাই মিলে গভীরভাবে চর্চা ও ভাবনার মধ্য দিয়ে আমাদের প্রকৃত বাংলাদেশটিকে ফিরে পেতে হবে।’

মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা: অনুষ্ঠানে সৈয়দ ইকবাল ও ইসমাইল হোসেন নির্মিত একটি প্রামাণ্য ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। এটি ২৫ মার্চ গণহত্যা স্মরণ দিবস উপলক্ষে নির্মিত, যেখানে অপারেশন সার্চলাইটের পরবর্তী নৃশংসতার চিত্র তুলে ধরা হয়।

এক গুরুত্বপূর্ণ পর্বে সংগঠনের দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা- দেওয়ান গৌস সুলতান ও আবু মুসা হাসান- তাদের স্মৃতিচারণ করেন। তাদের সাহস ও আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে উপস্থিত সবাই ফুল দিয়ে সম্মাননা জানান। এই পর্বটি পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মো. কামরুল হাসান।

‘মুক্ত চিন্তা’ পর্ব: কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ জাফরের সঞ্চালনায় ‘মুক্ত চিন্তা’ শীর্ষক আলোচনা পর্বে অংশ নেন হাবিব রহমান, এম এ রাকীব, নাজির উদ্দিন চৌধুরী ও মাহরুন আহমেদ মালা। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য ও নতুন প্রজন্মের দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। পরবর্তীতে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন মারুফ চৌধুরী, সহুল আহমেদ মকু, রিপা সুলতানা রাকীব, সৈয়দ এনামুল ইসলাম, মাহফুজা রহমান, এম কে মিলন, মইন উদ্দিন, মির্জা আছাব বেগ ও কঙ্কন কান্তি ঘোষ।

প্রথম পর্বের সমাপ্তি ঘোষণা করেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মিসবাহ উদ্দিন ইকো। তিনি সংগঠনের পক্ষ থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংরক্ষণ ও স্বাধীনতার আদর্শ প্রচারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় সভাপতি সিরাজুল বাসিত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এমকিউ হাসান ও সমন্বয়ক নিলুফা ইয়াসমীন হাসানের পক্ষ থেকে প্রধান বক্তা ড. শাহাদুজ্জামানকে সম্মাননা ও কৃতজ্ঞতা স্বরূপ উত্তরীয় প্রদান করা হয়।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: আলোচনা পর্ব শেষে হয় প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক সম্পাদক এরিনা সিদ্দিকী সুপ্রভা এই পর্ব সঞ্চালনা করেন।নৃত্যশিল্পী পুনন কুন্ডু ‘ও আমার বাংলা মা তোর’ গানের সঙ্গে মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশন করেন। এতে উপস্থিত দর্শক আবেগাপ্লুত হয়ে ওঠেন।

সাংস্কৃতিক পর্বে অংশ নেন- রিপা সুলতানা রাকীব, তারেক সৈয়দ, সৈয়দ জুবাইয়ের, মাহফুজা রহমান, ব্যারিস্টার এমকিউ হাসান, সায়েদা তামান্না, রাশেদা বানু, সৈয়দ ইকবাল, নিলা নিকি খান, মিজানুর রহমান, কাজী কলপনা, সৈয়দ হামিদুল হক, হাসনীন চৌধুরী, মাহমুদা চৌধুরী ও মনির চৌধুরী।

সংগীত পরিবেশন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশের দুই জনপ্রিয় শিল্পী সৈয়দ জুবাইয়ের ও তারেক সাইয়েদ। তাদের প্রাণবন্ত পরিবেশনা অনুষ্ঠানে উচ্ছ্বসিত পরিবেশ সৃষ্টি করে। সবশেষে উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন এবং দেশাত্মবোধের আবহে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন: এর আগে, মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ সংগঠনের সদস্যরা পূর্ব লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে অবস্থিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬


ঢাবির অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মুক্তিযুদ্ধকে পাহারা দেয়াও আমাদের দায়িত্ব: ড. শাহাদুজ্জামান

যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে (ডিইউএউকে)’ যথাযোগ্য মর্যাদা ও দেশাত্মবোধের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে। 

শনিবার (২৮ মার্চ) পূর্ব লন্ডনের একটি হলে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সিরাজুল বাসিত চৌধুরী এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কামরুল হাসান। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ জাফর।

আলোচনা পর্ব : শুরুতে বক্তারা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। বিশেষ করে ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামক বর্বর অভিযানে নিহত নিরীহ বাঙালিদের স্মরণ করেন তারা।

সাংস্কৃতিক সম্পাদক এরিনা সিদ্দিকী সুপ্রভার সঞ্চালনায় সমবেত কণ্ঠে পরিবেশিত হয় দেশাত্মবোধক গান ‘ধন ধান্যে পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’। সভাপতি সিরাজুল বাসিত চৌধুরী তার বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হওয়ার পেছনে যাদের অবদান রয়েছে, সবাইকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানের সমন্বয়কারী নিলুফা ইয়াসমীন হাসান তার বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের ওপর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বিশেষভাবে ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যার কথা উল্লেখ করে বলেন, রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনী সে সময় অনেক ঢাবি শিক্ষককে হত্যা করে।

প্রধান আলোচকের বক্তব্য: অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রখ্যাত লেখক ও ইউনিভার্সিটি অব সাসেক্সের অধ্যাপক ড. শাহাদুজ্জামান বলেন, ‘বাংলাদেশের একটি গৌরবময় ও স্বর্ণালী ইতিহাস আছে। যারা মনে করেন মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অস্তিত্বের সত্তার অংশ, সেই মুক্তিযুদ্ধকে পাহারা দেয়াও আমাদের দায়িত্ব।’

অধ্যাপক ড. শাহাদুজ্জামান আরও বলেন, ‘আমরা অনেক ত্যাগ ও বেদনার মধ্যে দিয়ে গেছি। ৫৬ বছর পর এখন সময় এসেছে একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ চাওয়ার। সবাই মিলে গভীরভাবে চর্চা ও ভাবনার মধ্য দিয়ে আমাদের প্রকৃত বাংলাদেশটিকে ফিরে পেতে হবে।’

মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা: অনুষ্ঠানে সৈয়দ ইকবাল ও ইসমাইল হোসেন নির্মিত একটি প্রামাণ্য ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। এটি ২৫ মার্চ গণহত্যা স্মরণ দিবস উপলক্ষে নির্মিত, যেখানে অপারেশন সার্চলাইটের পরবর্তী নৃশংসতার চিত্র তুলে ধরা হয়।

এক গুরুত্বপূর্ণ পর্বে সংগঠনের দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা- দেওয়ান গৌস সুলতান ও আবু মুসা হাসান- তাদের স্মৃতিচারণ করেন। তাদের সাহস ও আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে উপস্থিত সবাই ফুল দিয়ে সম্মাননা জানান। এই পর্বটি পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মো. কামরুল হাসান।

‘মুক্ত চিন্তা’ পর্ব: কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ জাফরের সঞ্চালনায় ‘মুক্ত চিন্তা’ শীর্ষক আলোচনা পর্বে অংশ নেন হাবিব রহমান, এম এ রাকীব, নাজির উদ্দিন চৌধুরী ও মাহরুন আহমেদ মালা। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য ও নতুন প্রজন্মের দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। পরবর্তীতে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন মারুফ চৌধুরী, সহুল আহমেদ মকু, রিপা সুলতানা রাকীব, সৈয়দ এনামুল ইসলাম, মাহফুজা রহমান, এম কে মিলন, মইন উদ্দিন, মির্জা আছাব বেগ ও কঙ্কন কান্তি ঘোষ।

প্রথম পর্বের সমাপ্তি ঘোষণা করেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মিসবাহ উদ্দিন ইকো। তিনি সংগঠনের পক্ষ থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংরক্ষণ ও স্বাধীনতার আদর্শ প্রচারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় সভাপতি সিরাজুল বাসিত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এমকিউ হাসান ও সমন্বয়ক নিলুফা ইয়াসমীন হাসানের পক্ষ থেকে প্রধান বক্তা ড. শাহাদুজ্জামানকে সম্মাননা ও কৃতজ্ঞতা স্বরূপ উত্তরীয় প্রদান করা হয়।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: আলোচনা পর্ব শেষে হয় প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক সম্পাদক এরিনা সিদ্দিকী সুপ্রভা এই পর্ব সঞ্চালনা করেন।নৃত্যশিল্পী পুনন কুন্ডু ‘ও আমার বাংলা মা তোর’ গানের সঙ্গে মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশন করেন। এতে উপস্থিত দর্শক আবেগাপ্লুত হয়ে ওঠেন।

সাংস্কৃতিক পর্বে অংশ নেন- রিপা সুলতানা রাকীব, তারেক সৈয়দ, সৈয়দ জুবাইয়ের, মাহফুজা রহমান, ব্যারিস্টার এমকিউ হাসান, সায়েদা তামান্না, রাশেদা বানু, সৈয়দ ইকবাল, নিলা নিকি খান, মিজানুর রহমান, কাজী কলপনা, সৈয়দ হামিদুল হক, হাসনীন চৌধুরী, মাহমুদা চৌধুরী ও মনির চৌধুরী।

সংগীত পরিবেশন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশের দুই জনপ্রিয় শিল্পী সৈয়দ জুবাইয়ের ও তারেক সাইয়েদ। তাদের প্রাণবন্ত পরিবেশনা অনুষ্ঠানে উচ্ছ্বসিত পরিবেশ সৃষ্টি করে। সবশেষে উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন এবং দেশাত্মবোধের আবহে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন: এর আগে, মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ সংগঠনের সদস্যরা পূর্ব লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে অবস্থিত শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত