জল্পনা নাকি শুধুই অবকাশ: ব্যয়বহুল সফর নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়াঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি (ভিপি) মো. আবু সাদিক তার জীবনের এক নতুন অধ্যায় উপভোগ করছেন। মঙ্গলবার এক স্নিগ্ধ সকালে স্ত্রীসহ পরবাসে পাড়ি জমিয়েছেন ছাত্ররাজনীতির এই পরিচিত মুখ। তবে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি বা সেমিনারে যোগ দিতে নয়, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সফরে এবার তার গন্তব্য ভারত মহাসাগরের মুক্তাখ্যাত অপরূপ মালদ্বীপ।মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ‘বিএস৩৩৭’ ফ্লাইটে চেপে বসেন ভিপি সাদিক ও তার সহধর্মিণী।এই ভিআইপি (পাসপোর্ট নম্বর এ০-৪০০৪৬৬৮) যাত্রীর ঢাকা ত্যাগের বিষয়টি বিমানবন্দরের সাদা পোশাকের নিরাপত্তা কর্মী থেকে শুরু করে গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত বেশ ভালোভাবেই নজরে আসে।এক কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, ভিপি সাদিকের মালদ্বীপ যাওয়ার বিষয়টি রাত ৯টা ৪৯ মিনিটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চপর্যায় থেকে শতভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে। এমনকি ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষও সফরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছে, সব আইনি প্রক্রিয়া মেনেই তিনি দেশ ছেড়েছেন।সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত ডাকসু ভিপির এমন জমকালো ও ব্যয়বহুল অবকাশ যাপন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যে নানা গুঞ্জন ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।অনেকেই মন্তব্য করছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে মালদ্বীপ ভ্রমণ বেশ বিলাসবহুল। তবে এই বিষয়ে ডাকসুর অন্য কোনো নেতার তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান জানিয়ে কয়েকজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা ইতিবাচক সুরেই মন্তব্য করেছেন, "তিনি মালদ্বীপ যেতেই পারেন।" ব্যস্ততম ছাত্ররাজনীতির চেনা কোলাহল আর পিচঢালা ক্যাম্পাস ছেড়ে সমুদ্রের নীল জলরাশিতে স্ত্রীর হাত ধরে কটা দিন কাটানো সাদিকের এই একান্ত সফর এখন ঢাবি পাড়ার টক অব দ্য টাউন।