সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

তেলের দাবিতে পাওয়ার টিলার নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে কৃষকরা


প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রকাশ: ৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম

তেলের দাবিতে পাওয়ার টিলার নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে কৃষকরা
ছবি : সংবাদ

ঝিনাইদহের মহেশপুরে জ্বালানি তেলের সংকটে মিনি পাওয়ার টিলার দিয়ে চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে। এর প্রতিবাদে ও পর্যাপ্ত তেলের দাবিতে সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে পাওয়ার টিলার নিয়ে হাজির হন একদল কৃষক।

ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, মহেশপুরের মান্দারবাড়িয়া ইউনিয়নে পেয়ারা ও বিভিন্ন ফলের বাগান এবং জমিতে চাষাবাদের জন্য ড্রাগন মডেলের মিনি পাওয়ার টিলার ব্যবহার করা হয়। কিন্তু ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে ড্রাম বা পাত্রে তেল দেওয়া হচ্ছে না। সরাসরি মেশিন নিয়ে গেলে মাত্র ৩০০ টাকার তেল দেওয়া হয়, যা চাষাবাদের জন্য খুবই সামান্য। এ ছাড়া দূর থেকে বারবার মেশিন নিয়ে আসা-যাওয়া করাও ব্যয়বহুল ও কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দুপুরে মান্দারবাড়িয়া এলাকার কৃষক আবুল কাশেম, ইব্রাহিম খলিল, তুহিন ও ঝন্টুসহ আরও অনেকে আটটি পাওয়ার টিলার নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে গিয়ে তেল সরবরাহের দাবি জানান।

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘কৃষকদের সমস্যাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে যেন কৃষকরা সহজে ও প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পেতে পারেন, সে বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতা করবে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬


তেলের দাবিতে পাওয়ার টিলার নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে কৃষকরা

প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহের মহেশপুরে জ্বালানি তেলের সংকটে মিনি পাওয়ার টিলার দিয়ে চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে। এর প্রতিবাদে ও পর্যাপ্ত তেলের দাবিতে সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে পাওয়ার টিলার নিয়ে হাজির হন একদল কৃষক।

ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, মহেশপুরের মান্দারবাড়িয়া ইউনিয়নে পেয়ারা ও বিভিন্ন ফলের বাগান এবং জমিতে চাষাবাদের জন্য ড্রাগন মডেলের মিনি পাওয়ার টিলার ব্যবহার করা হয়। কিন্তু ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে ড্রাম বা পাত্রে তেল দেওয়া হচ্ছে না। সরাসরি মেশিন নিয়ে গেলে মাত্র ৩০০ টাকার তেল দেওয়া হয়, যা চাষাবাদের জন্য খুবই সামান্য। এ ছাড়া দূর থেকে বারবার মেশিন নিয়ে আসা-যাওয়া করাও ব্যয়বহুল ও কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দুপুরে মান্দারবাড়িয়া এলাকার কৃষক আবুল কাশেম, ইব্রাহিম খলিল, তুহিন ও ঝন্টুসহ আরও অনেকে আটটি পাওয়ার টিলার নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে গিয়ে তেল সরবরাহের দাবি জানান।

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘কৃষকদের সমস্যাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে যেন কৃষকরা সহজে ও প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পেতে পারেন, সে বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতা করবে।’


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত