সংবাদ

মরা ছাগল নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে গৃহবধূ


প্রতিনিধি, বদলগাছী (নওগাঁ)
প্রতিনিধি, বদলগাছী (নওগাঁ)
প্রকাশ: ৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১২ পিএম

মরা ছাগল নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে গৃহবধূ
নওগাঁর বদলগাছীতে মৃত ছাগলটি ভ্যানে করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে যান ফাতেমা বেগম। ছবি : সংবাদ

নওগাঁর বদলগাছীতে প্রতিপক্ষের জায়গায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে একটি ছাগলকে লাথি মেরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৬ এপ্রিল) দুপুরে ভুক্তভোগী এক নারী মৃত ছাগলটি ভ্যানে করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে নিয়ে যান। সেখানে তিনি এই ঘটনার বিচার দাবি করেন।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বিলাশবাড়ী ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে। অভিযুক্তের নাম আব্দুর রশীদ। তিনি বদলগাছী উপজেলা পরিষদে অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত।

ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগমের অভিযোগ, তার একটি ছাগল একই এলাকার আব্দুর রশীদের জায়গায় গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ছাগলটির পেটে লাথি মারেন। এতে গুরুতর আহত হয়ে ছাগলটি মারা যায়। মারা যাওয়া ছাগলটি মাত্র দুই দিন আগে দুটি বাচ্চা প্রসব করেছিল। ওই দিন দুপুরে ফাতেমা বেগম মৃত ছাগল ও এর বাচ্চা দুটি নিয়ে বিচার চাইতে ইউএনও কার্যালয়ে হাজির হন। পরে তিনি বদলগাছী থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দেন।

ফাতেমা বেগম বলেন, ‘আমার ছাগলটিকে মারধর করে মেরে ফেলা হয়েছে। এতে আমার বড় ক্ষতি হয়ে গেল। আমি এই অন্যায়ের সঠিক বিচার চাই।’

তবে অভিযুক্ত আব্দুর রশীদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘জমিজমা নিয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের আগে থেকেই বিরোধ আছে। আমি ছাগলটিকে লাথি মারিনি। বাচ্চা প্রসবের পর অসুস্থ হয়ে সেটি মারা গেছে। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।’

স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম অবশ্য বলেন, জমি নিয়ে বিরোধ থাকলেও ওই দিন আব্দুর রশীদ ছাগলটিকে লাথি মেরেছিলেন-এটি সত্য। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।

এ বিষয়ে বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। এখনো লিখিত অভিযোগ হাতে পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান ছনির সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬


মরা ছাগল নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে গৃহবধূ

প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

নওগাঁর বদলগাছীতে প্রতিপক্ষের জায়গায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে একটি ছাগলকে লাথি মেরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৬ এপ্রিল) দুপুরে ভুক্তভোগী এক নারী মৃত ছাগলটি ভ্যানে করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে নিয়ে যান। সেখানে তিনি এই ঘটনার বিচার দাবি করেন।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বিলাশবাড়ী ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে। অভিযুক্তের নাম আব্দুর রশীদ। তিনি বদলগাছী উপজেলা পরিষদে অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত।

ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগমের অভিযোগ, তার একটি ছাগল একই এলাকার আব্দুর রশীদের জায়গায় গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ছাগলটির পেটে লাথি মারেন। এতে গুরুতর আহত হয়ে ছাগলটি মারা যায়। মারা যাওয়া ছাগলটি মাত্র দুই দিন আগে দুটি বাচ্চা প্রসব করেছিল। ওই দিন দুপুরে ফাতেমা বেগম মৃত ছাগল ও এর বাচ্চা দুটি নিয়ে বিচার চাইতে ইউএনও কার্যালয়ে হাজির হন। পরে তিনি বদলগাছী থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দেন।

ফাতেমা বেগম বলেন, ‘আমার ছাগলটিকে মারধর করে মেরে ফেলা হয়েছে। এতে আমার বড় ক্ষতি হয়ে গেল। আমি এই অন্যায়ের সঠিক বিচার চাই।’

তবে অভিযুক্ত আব্দুর রশীদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘জমিজমা নিয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের আগে থেকেই বিরোধ আছে। আমি ছাগলটিকে লাথি মারিনি। বাচ্চা প্রসবের পর অসুস্থ হয়ে সেটি মারা গেছে। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।’

স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম অবশ্য বলেন, জমি নিয়ে বিরোধ থাকলেও ওই দিন আব্দুর রশীদ ছাগলটিকে লাথি মেরেছিলেন-এটি সত্য। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।

এ বিষয়ে বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। এখনো লিখিত অভিযোগ হাতে পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান ছনির সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত