নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত হাজী এ রহমান মার্কেটে একটি মোবাইল ফোনের দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত থেকে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ভোরের মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে ‘নূর জাহান টেলিকম’ নামের ওই দোকানে সংঘবদ্ধ একটি চোরচক্র হানা দিয়ে ১২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ও নগদ অর্থ লুটে নেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা জানায়, আধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারি এড়িয়ে পরিকল্পিতভাবে এই অপরাধ সংঘটন করায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
দোকানের মালিক মো. শিপন ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, "প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতে দোকান বন্ধ করে আমি বাসায় চলে যাই। পরদিন ভোরে মার্কেটের গেট খোলার পর দোকানে এসে দেখি সাটারের তালা ভাঙা এবং ভেতরের মালামাল সব উধাও। অজ্ঞাতনামা একটি চক্র অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে আমার দোকানে প্রবেশ করে সব শেষ করে দিয়ে গেছে।"
ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য ও অভিযোগপত্র অনুযায়ী, চুরি হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোট ৫২টি মোবাইল ফোন, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া ড্রয়ারে থাকা নগদ ২০ হাজার টাকা এবং ৫টি পাওয়ার ব্যাংকও নিয়ে গেছে চোরেরা।
মো. শিপন আরও যোগ করেন, "এই ঘটনাটি কোনো সাধারণ চুরি নয়, বরং পূর্বপরিকল্পিত বলে আমার ধারণা। এতে আমি আর্থিকভাবে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছি।"
তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে তথ্য নিতে গেলে বেরিয়ে আসে এক চাঞ্চল্যকর সূত্র। দোকানের ভেতরে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে চুরির সাথে জড়িত কয়েকজনের গতিবিধি ও অপরাধের দৃশ্য ধরা পড়েছে। ফুটেজে অপরাধীদের চেহারা স্পষ্ট শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে, যা এখন পুলিশের জন্য তদন্তের প্রধান অস্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শামসুদ দুহা তদন্ত সম্পর্কে জানান, "আমরা ভুক্তভোগীর অভিযোগ গ্রহণ করেছি এবং সিসিটিভি ফুটেজ আমাদের কাছে। ফুটেজের ভিত্তিতে জড়িতদের পরিচয় শনাক্তকরণ এবং খোয়া যাওয়া মালামাল উদ্ধারে আমাদের বিশেষ টিম কাজ করছে। তবে এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।"
পুলিশ আশাবাদী যে, খুব শীঘ্রই এই চক্রটিকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত হাজী এ রহমান মার্কেটে একটি মোবাইল ফোনের দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত থেকে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ভোরের মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে ‘নূর জাহান টেলিকম’ নামের ওই দোকানে সংঘবদ্ধ একটি চোরচক্র হানা দিয়ে ১২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ও নগদ অর্থ লুটে নেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা জানায়, আধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারি এড়িয়ে পরিকল্পিতভাবে এই অপরাধ সংঘটন করায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
দোকানের মালিক মো. শিপন ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, "প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতে দোকান বন্ধ করে আমি বাসায় চলে যাই। পরদিন ভোরে মার্কেটের গেট খোলার পর দোকানে এসে দেখি সাটারের তালা ভাঙা এবং ভেতরের মালামাল সব উধাও। অজ্ঞাতনামা একটি চক্র অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে আমার দোকানে প্রবেশ করে সব শেষ করে দিয়ে গেছে।"
ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য ও অভিযোগপত্র অনুযায়ী, চুরি হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোট ৫২টি মোবাইল ফোন, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া ড্রয়ারে থাকা নগদ ২০ হাজার টাকা এবং ৫টি পাওয়ার ব্যাংকও নিয়ে গেছে চোরেরা।
মো. শিপন আরও যোগ করেন, "এই ঘটনাটি কোনো সাধারণ চুরি নয়, বরং পূর্বপরিকল্পিত বলে আমার ধারণা। এতে আমি আর্থিকভাবে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছি।"
তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে তথ্য নিতে গেলে বেরিয়ে আসে এক চাঞ্চল্যকর সূত্র। দোকানের ভেতরে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে চুরির সাথে জড়িত কয়েকজনের গতিবিধি ও অপরাধের দৃশ্য ধরা পড়েছে। ফুটেজে অপরাধীদের চেহারা স্পষ্ট শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে, যা এখন পুলিশের জন্য তদন্তের প্রধান অস্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শামসুদ দুহা তদন্ত সম্পর্কে জানান, "আমরা ভুক্তভোগীর অভিযোগ গ্রহণ করেছি এবং সিসিটিভি ফুটেজ আমাদের কাছে। ফুটেজের ভিত্তিতে জড়িতদের পরিচয় শনাক্তকরণ এবং খোয়া যাওয়া মালামাল উদ্ধারে আমাদের বিশেষ টিম কাজ করছে। তবে এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।"
পুলিশ আশাবাদী যে, খুব শীঘ্রই এই চক্রটিকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন