দেশের ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি টাকা। এ তথ্য জানিয়ে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
এনসিপির সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের (হাসনাত আবদুল্লাহ) প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে এ তালিকা উপস্থাপিত হয়।
অর্থমন্ত্রী জানান, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত স্থিতিভিত্তিক ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। বর্তমান সংসদ সদস্য ও তাঁদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক এবং ফাইন্যান্স কোম্পানিতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক ৩ হাজার ৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকা খেলাপি হিসেবে দেখানো হয়নি।
অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তালিকা অনুযায়ী শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সোনালী ট্রেডার্স, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি, গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন, চেমন ইসপাত, কেয়া কসমেটিকস, দেশবন্ধু সুগার মিলস, পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারার দুইটি পাওয়ার প্ল্যান্ট, প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম, কর্ণফুলি ফুডস, মুরাদ এন্টারপ্রাইজ, সিএলসি পাওয়ার কোম্পানি, বেক্সিমকো কমিউনিকেশনস ও রংধনু বিল্ডার্স।
খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন ব্যবস্থার কথাও সংসদে তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
দেশের ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি টাকা। এ তথ্য জানিয়ে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
এনসিপির সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের (হাসনাত আবদুল্লাহ) প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে এ তালিকা উপস্থাপিত হয়।
অর্থমন্ত্রী জানান, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত স্থিতিভিত্তিক ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। বর্তমান সংসদ সদস্য ও তাঁদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক এবং ফাইন্যান্স কোম্পানিতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক ৩ হাজার ৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকা খেলাপি হিসেবে দেখানো হয়নি।
অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তালিকা অনুযায়ী শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সোনালী ট্রেডার্স, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি, গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন, চেমন ইসপাত, কেয়া কসমেটিকস, দেশবন্ধু সুগার মিলস, পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারার দুইটি পাওয়ার প্ল্যান্ট, প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম, কর্ণফুলি ফুডস, মুরাদ এন্টারপ্রাইজ, সিএলসি পাওয়ার কোম্পানি, বেক্সিমকো কমিউনিকেশনস ও রংধনু বিল্ডার্স।
খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন ব্যবস্থার কথাও সংসদে তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন