ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ছিলেন তিনি। পড়াশোনা হোক কিংবা অন্য কোনো প্রতিযোগিতা—সবখানেই ছিল তার উজ্জ্বল উপস্থিতি। তবে একটি আক্ষেপ তাকে সবসময় তাড়া করে বেড়াত। অনেক চেষ্টা করেও জীবনের কোনো প্রতিযোগিতায় কখনো প্রথম হওয়ার স্বাদ পাননি তিনি। সবসময় দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।
তবে
এবার সেই আক্ষেপের অবসান
ঘটল দেশের সবথেকে বড় বিউটি পেজেন্টের
মঞ্চে। জীবনের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রথমবারের মতো
সেরার মুকুট নিজের করে নিলেন রাজশাহীর
মেয়ে বিদুষী বর্ণিতা। 'লাক্স সুপারস্টার ২০২৫'-এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে
সব প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে তিনি নির্বাচিত
হয়েছেন বছরের সেরা সুন্দরী হিসেবে।
শুক্রবার
দিবাগত রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা
নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানের
মধ্য দিয়ে বিদুষী বর্ণিতার
নাম বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘ
সাত বছর পর আয়োজিত
এই আসরে কয়েক হাজার
প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে মুকুট জয়
করেন তিনি। বর্ণিতার মাথায় বিজয়ের মুকুট পরিয়ে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা
এবং তার হাতে তুলে
দেওয়া হয় স্বরোভস্কি ক্রিস্টালের
ঝকঝকে ট্রফি। দীর্ঘ অর্ধযুগ পর এই প্রতিযোগিতার
মাধ্যমে দেশের বিনোদন অঙ্গন খুঁজে পেল নতুন এক
তারকাকে।
বিজয়ের
পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত
হয়ে পড়েন বর্ণিতা। তিনি
তার জীবনের না বলা এক
সংগ্রামের গল্প শোনান সবাইকে।
বর্ণিতা বলেন, ‘পুরস্কার ঘোষণার সময় আমি এতটাই
নার্ভাস ছিলাম যে সোজা হয়ে
দাঁড়িয়ে থাকতেই কষ্ট হচ্ছিল। আজ
দীর্ঘ যাত্রার কথা মনে পড়ছে।
আমি যে এত দূর
আসতে পারব, সেটা কখনো কল্পনাও
করিনি। সবটুকুই আল্লাহর রহমত, মানুষের ভালোবাসা আর আমার কঠোর
পরিশ্রমের ফল।’
নিজের
পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করে বর্ণিতা আরও
বলেন, ‘আমি সব সময়
পড়ালেখায় ভালো ফল করার
চেষ্টা করেছি। কিন্তু জীবনে কখনও প্রথম হতে
পারিনি। সব সময় দ্বিতীয়
বা তৃতীয় হয়েছি। মনে মনে সব
সময়ই একটা জেদ কাজ
করত, জীবনের কোথাও না কোথাও আমাকে
প্রথম হতেই হবে। আজ
সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে, আমি
সত্যিই এই মঞ্চে প্রথম
হতে পেরেছি।’
বর্ণিতার
এই জয় কেবল তার
একার নয়, বরং অধ্যাবসায়
আর ইচ্ছাশক্তি থাকলে যে বারবার পিছিয়ে
পড়েও শীর্ষে পৌঁছানো যায়, তিনি আজ
সেই দৃষ্টান্তই স্থাপন করলেন। নতুন এই সুপারস্টারকে
নিয়ে এখন শোবিজ পাড়ায়
বইছে আনন্দের জোয়ার।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ছিলেন তিনি। পড়াশোনা হোক কিংবা অন্য কোনো প্রতিযোগিতা—সবখানেই ছিল তার উজ্জ্বল উপস্থিতি। তবে একটি আক্ষেপ তাকে সবসময় তাড়া করে বেড়াত। অনেক চেষ্টা করেও জীবনের কোনো প্রতিযোগিতায় কখনো প্রথম হওয়ার স্বাদ পাননি তিনি। সবসময় দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।
তবে
এবার সেই আক্ষেপের অবসান
ঘটল দেশের সবথেকে বড় বিউটি পেজেন্টের
মঞ্চে। জীবনের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রথমবারের মতো
সেরার মুকুট নিজের করে নিলেন রাজশাহীর
মেয়ে বিদুষী বর্ণিতা। 'লাক্স সুপারস্টার ২০২৫'-এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে
সব প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে তিনি নির্বাচিত
হয়েছেন বছরের সেরা সুন্দরী হিসেবে।
শুক্রবার
দিবাগত রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা
নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানের
মধ্য দিয়ে বিদুষী বর্ণিতার
নাম বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘ
সাত বছর পর আয়োজিত
এই আসরে কয়েক হাজার
প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে মুকুট জয়
করেন তিনি। বর্ণিতার মাথায় বিজয়ের মুকুট পরিয়ে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা
এবং তার হাতে তুলে
দেওয়া হয় স্বরোভস্কি ক্রিস্টালের
ঝকঝকে ট্রফি। দীর্ঘ অর্ধযুগ পর এই প্রতিযোগিতার
মাধ্যমে দেশের বিনোদন অঙ্গন খুঁজে পেল নতুন এক
তারকাকে।
বিজয়ের
পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত
হয়ে পড়েন বর্ণিতা। তিনি
তার জীবনের না বলা এক
সংগ্রামের গল্প শোনান সবাইকে।
বর্ণিতা বলেন, ‘পুরস্কার ঘোষণার সময় আমি এতটাই
নার্ভাস ছিলাম যে সোজা হয়ে
দাঁড়িয়ে থাকতেই কষ্ট হচ্ছিল। আজ
দীর্ঘ যাত্রার কথা মনে পড়ছে।
আমি যে এত দূর
আসতে পারব, সেটা কখনো কল্পনাও
করিনি। সবটুকুই আল্লাহর রহমত, মানুষের ভালোবাসা আর আমার কঠোর
পরিশ্রমের ফল।’
নিজের
পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করে বর্ণিতা আরও
বলেন, ‘আমি সব সময়
পড়ালেখায় ভালো ফল করার
চেষ্টা করেছি। কিন্তু জীবনে কখনও প্রথম হতে
পারিনি। সব সময় দ্বিতীয়
বা তৃতীয় হয়েছি। মনে মনে সব
সময়ই একটা জেদ কাজ
করত, জীবনের কোথাও না কোথাও আমাকে
প্রথম হতেই হবে। আজ
সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে, আমি
সত্যিই এই মঞ্চে প্রথম
হতে পেরেছি।’
বর্ণিতার
এই জয় কেবল তার
একার নয়, বরং অধ্যাবসায়
আর ইচ্ছাশক্তি থাকলে যে বারবার পিছিয়ে
পড়েও শীর্ষে পৌঁছানো যায়, তিনি আজ
সেই দৃষ্টান্তই স্থাপন করলেন। নতুন এই সুপারস্টারকে
নিয়ে এখন শোবিজ পাড়ায়
বইছে আনন্দের জোয়ার।

আপনার মতামত লিখুন