প্রধান শিক্ষকের অভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যাহত হচ্ছে। সংবাদে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, উপজেলার ২১৭টি সরকারি ও ২টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৯০টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এসব বিদ্যালয় এখন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলছে।
এটা কেবল একটি উপজেলার সমস্যা নয়। দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার একটি পরিচিত সংকট এটা। দেশের অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংখ্যা কম। তিন-চারজন শিক্ষক দিয়ে পাঠদান ও প্রশাসনিক কাজ সামলাতে হচ্ছে। সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এতে শ্রেণীকক্ষে পাঠদানে বিঘ্ন ঘটছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে অতিরিক্ত প্রশাসনিক কাজ করতে হয়। ফলে নিয়মিত ক্লাস নেয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নির্দেশ মানতে অনীহা দেখান। এতে বিদ্যালয়ে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দেখা দিচ্ছে।
অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক সমন্বয়ের কেন্দ্রবিন্দু। এই পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় বিদ্যালয়ে নানান কাজে সমন্বয় ব্যাহত হচ্ছে, প্রশাসনিক জটিলতা বাড়ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ না দিলে শিক্ষার মান আরও নাজুক হয়ে পড়বে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শূন্য পদ পূরণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। যোগ্য শিক্ষকদের পদোন্নতির তালিকাও পাঠানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা সম্ভব হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা শিশুদের ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি গড়ে তোলে। এই স্তরে প্রধান শিক্ষকের অভাব শিক্ষার্থীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ দ্রুত পূরণ করা জরুরি। আমরা আশা করবো, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রধান শিক্ষকের অভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যাহত হচ্ছে। সংবাদে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, উপজেলার ২১৭টি সরকারি ও ২টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৯০টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এসব বিদ্যালয় এখন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলছে।
এটা কেবল একটি উপজেলার সমস্যা নয়। দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার একটি পরিচিত সংকট এটা। দেশের অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংখ্যা কম। তিন-চারজন শিক্ষক দিয়ে পাঠদান ও প্রশাসনিক কাজ সামলাতে হচ্ছে। সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এতে শ্রেণীকক্ষে পাঠদানে বিঘ্ন ঘটছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে অতিরিক্ত প্রশাসনিক কাজ করতে হয়। ফলে নিয়মিত ক্লাস নেয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নির্দেশ মানতে অনীহা দেখান। এতে বিদ্যালয়ে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দেখা দিচ্ছে।
অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক সমন্বয়ের কেন্দ্রবিন্দু। এই পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় বিদ্যালয়ে নানান কাজে সমন্বয় ব্যাহত হচ্ছে, প্রশাসনিক জটিলতা বাড়ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ না দিলে শিক্ষার মান আরও নাজুক হয়ে পড়বে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শূন্য পদ পূরণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। যোগ্য শিক্ষকদের পদোন্নতির তালিকাও পাঠানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা সম্ভব হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা শিশুদের ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি গড়ে তোলে। এই স্তরে প্রধান শিক্ষকের অভাব শিক্ষার্থীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ দ্রুত পূরণ করা জরুরি। আমরা আশা করবো, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

আপনার মতামত লিখুন