নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপুর বিরুদ্ধে নিজ বাসভবনে ‘টর্চার সেল’ বানিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে নওগাঁ শহরের মুক্তির মোড় এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মান্দা উপজেলা বিএনপির নেতারা এ অভিযোগ করেন।
মারধরের অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে মোহাম্মদ আলীর মুঠোফোনে কল করা হলে নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে অভিযোগের বিষয়ে সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপু গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যে ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ করা হয়েছে তার সঙ্গে আমার কোনো যুক্ততা নেই। সংসদ অধিবেশন চলার কারণে বেশ কয়েক দিন ধরে আমি এলাকায় নেই। বলা হচ্ছে আমার এপিএস মারধর করেছে, প্রকৃতপক্ষে আমার কোনো এপিএস কিংবা পিএস নাই। দলীয় কোনো নেতাকর্মীর কলহ হলে এ ঘটনার বিচার করবে উপজলো কিংবা জেলা বিএনপি। এছাড়া মারামারির ঘটনা প্রকৃতপক্ষে ঘটে থাকলে থানায় মামলা করলে পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। এতে যেই অপরাধী হোক না কেন, তাকে শাস্তি পেতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলা বিএনপির একটি অংশ নির্বাচনের আগে থেকেই আমার বিরুদ্ধে অনেক অপপ্রচার চালিয়েছে। এখনও ওই পক্ষ সক্রিয় রয়েছে। আশা করি, তাদের কোনো চক্রান্ত সফল হবে না।’
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন বলেন, ‘গতকাল ঘটনাটি ঘটার পর একটি পক্ষ বিষয়টি আমাকে জানিয়েছে। এরপর আমিই আহত বিএনপি নেতাকে নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য সার্বিক সহযোগিতা করেছি। যেহেতু দলীয় কর্মীকে মারধর করা হয়েছে বিষয়টি তদন্ত করে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপুর বিরুদ্ধে নিজ বাসভবনে ‘টর্চার সেল’ বানিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে নওগাঁ শহরের মুক্তির মোড় এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মান্দা উপজেলা বিএনপির নেতারা এ অভিযোগ করেন।
মারধরের অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে মোহাম্মদ আলীর মুঠোফোনে কল করা হলে নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে অভিযোগের বিষয়ে সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপু গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যে ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ করা হয়েছে তার সঙ্গে আমার কোনো যুক্ততা নেই। সংসদ অধিবেশন চলার কারণে বেশ কয়েক দিন ধরে আমি এলাকায় নেই। বলা হচ্ছে আমার এপিএস মারধর করেছে, প্রকৃতপক্ষে আমার কোনো এপিএস কিংবা পিএস নাই। দলীয় কোনো নেতাকর্মীর কলহ হলে এ ঘটনার বিচার করবে উপজলো কিংবা জেলা বিএনপি। এছাড়া মারামারির ঘটনা প্রকৃতপক্ষে ঘটে থাকলে থানায় মামলা করলে পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। এতে যেই অপরাধী হোক না কেন, তাকে শাস্তি পেতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলা বিএনপির একটি অংশ নির্বাচনের আগে থেকেই আমার বিরুদ্ধে অনেক অপপ্রচার চালিয়েছে। এখনও ওই পক্ষ সক্রিয় রয়েছে। আশা করি, তাদের কোনো চক্রান্ত সফল হবে না।’
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন বলেন, ‘গতকাল ঘটনাটি ঘটার পর একটি পক্ষ বিষয়টি আমাকে জানিয়েছে। এরপর আমিই আহত বিএনপি নেতাকে নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য সার্বিক সহযোগিতা করেছি। যেহেতু দলীয় কর্মীকে মারধর করা হয়েছে বিষয়টি তদন্ত করে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন