ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ‘ধারাবাহিক’ বিমান হামলা চালানোর ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের দেওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করার পরপরই ইসরায়েল এই আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিল।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাদের অফিসিয়াল টেলিগ্রাম বার্তায়
জানিয়েছে, কিছুক্ষণ আগে তারা ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সামরিক
অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো ইরানি শাসনের বিভিন্ন অবকাঠামো ধ্বংস
করা। দফায় দফায় এই বিমান হামলা চালানো হচ্ছে এবং এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ
বলে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই ভয়াবহ যুদ্ধ থামাতে পাকিস্তানসহ বিভিন্ন
আন্তর্জাতিক পক্ষ থেকে একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
ট্রাম্প সেই প্রস্তাবকে ‘যথেষ্ট নয়’ বলে আখ্যা দেন এবং আজ মঙ্গলবার রাতেই ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’
করার হুঁশিয়ারি দেন। ট্রাম্পের এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই ইসরায়েল তাদের বিমান হামলা
শুরু করে।
ইসরায়েলের এই ঘোষণার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের
বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একদিকে ট্রাম্পের দেওয়া আল্টিমেটাম এবং অন্যদিকে
ইসরায়েলের এই সরাসরি বিমান হামলা সব মিলিয়ে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ
ও বিধ্বংসী যুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে। এর আগে গতকালও দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক পাল্টাপাল্টি
হামলায় কয়েক হাজার মানুষ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল।
তেহরানের পক্ষ থেকে এই বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় এখনও কোনো
আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পুরো বিশ্ব এক গভীর অনিশ্চয়তার
মধ্যে পড়েছে।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ‘ধারাবাহিক’ বিমান হামলা চালানোর ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের দেওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করার পরপরই ইসরায়েল এই আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিল।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাদের অফিসিয়াল টেলিগ্রাম বার্তায়
জানিয়েছে, কিছুক্ষণ আগে তারা ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সামরিক
অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো ইরানি শাসনের বিভিন্ন অবকাঠামো ধ্বংস
করা। দফায় দফায় এই বিমান হামলা চালানো হচ্ছে এবং এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ
বলে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই ভয়াবহ যুদ্ধ থামাতে পাকিস্তানসহ বিভিন্ন
আন্তর্জাতিক পক্ষ থেকে একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
ট্রাম্প সেই প্রস্তাবকে ‘যথেষ্ট নয়’ বলে আখ্যা দেন এবং আজ মঙ্গলবার রাতেই ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’
করার হুঁশিয়ারি দেন। ট্রাম্পের এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই ইসরায়েল তাদের বিমান হামলা
শুরু করে।
ইসরায়েলের এই ঘোষণার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের
বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একদিকে ট্রাম্পের দেওয়া আল্টিমেটাম এবং অন্যদিকে
ইসরায়েলের এই সরাসরি বিমান হামলা সব মিলিয়ে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ
ও বিধ্বংসী যুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে। এর আগে গতকালও দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক পাল্টাপাল্টি
হামলায় কয়েক হাজার মানুষ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল।
তেহরানের পক্ষ থেকে এই বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় এখনও কোনো
আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পুরো বিশ্ব এক গভীর অনিশ্চয়তার
মধ্যে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন