বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য পশ্চিমা দেশগুলোতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ভিসা প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা ও সতর্কতা অবলম্বনের কড়া বার্তা দিয়েছে ১৩টি শক্তিশালী দেশ।
বুধবার
(৮ এপ্রিল) এক যৌথ বিবৃতিতে
দেশগুলো সাফ জানিয়ে দিয়েছে,
ভিসা বা কনস্যুলার সেবা
পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সংক্ষিপ্ত
পথ বা দালালের সহায়তা
নেওয়া যাবে না। আবেদনকারীদের
অবশ্যই নির্ধারিত সরকারি ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া
অনুসরণ করতে হবে।
বিবৃতিতে
দূতাবাসগুলো কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেছে, "ভিসা,
পারমিট ও অন্যান্য কনস্যুলার
সেবা পেতে আবেদনকারীদের অবশ্যই
নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। জাল
কাগজপত্র ব্যবহার, অবিশ্বস্ত বা লাইসেন্সবিহীন এজেন্টের
সহায়তা নেওয়া এবং অননুমোদিত ব্যক্তি
বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ প্রদান
থেকে বিরত থাকতে হবে।"
জালিয়াতির
পরিণাম সম্পর্কে দেশগুলো জানায়, এ ধরনের অনিয়মের
কারণে ভিসা প্রক্রিয়ায় কেবল
বিলম্বই হবে না, বরং
বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি, সীমান্তে প্রবেশে চিরস্থায়ী বাধা এবং গুরুতর
আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে।
মধ্যস্বত্বভোগীদের
দৌরাত্ম্য বন্ধে দেশগুলো তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে বিবৃতিতে উল্লেখ
করেছে, কোনো দেশের দূতাবাস
বা মিশন কোনো এজেন্টের
সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়।
ভিসা
প্রক্রিয়ায় বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার দাবি করে এমন
তথাকথিত মধ্যস্থতাকারীদের ওপর নির্ভর না
করার পরামর্শ দিয়ে বিবৃতিতে বলা
হয়, "যাচাই তথ্য ও সংশ্লিষ্ট
দেশের সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে সব কার্যক্রম সম্পন্ন
করতে হবে। এতে সবার
জন্য নিরাপদ, স্বচ্ছ ও ন্যায্য আবেদন
প্রক্রিয়া নিশ্চিত হবে।"
যৌথ
এই সতর্কবার্তায় স্বাক্ষর করেছে যুক্তরাজ্য, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, হাঙ্গেরি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া।
কূটনৈতিক
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক
সময়ে ভিসা আবেদনে ভুয়া
নথিপত্র ও দালালের প্রভাব
বেড়ে যাওয়ায় এমন শক্ত অবস্থান
নিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো। তাই বিদেশ যাত্রার
স্বপ্ন পূরণে আবেদনকারীদের এখন থেকে প্রতিটি
ধাপে অধিকতর সচেতন হতে হবে।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য পশ্চিমা দেশগুলোতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ভিসা প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা ও সতর্কতা অবলম্বনের কড়া বার্তা দিয়েছে ১৩টি শক্তিশালী দেশ।
বুধবার
(৮ এপ্রিল) এক যৌথ বিবৃতিতে
দেশগুলো সাফ জানিয়ে দিয়েছে,
ভিসা বা কনস্যুলার সেবা
পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সংক্ষিপ্ত
পথ বা দালালের সহায়তা
নেওয়া যাবে না। আবেদনকারীদের
অবশ্যই নির্ধারিত সরকারি ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া
অনুসরণ করতে হবে।
বিবৃতিতে
দূতাবাসগুলো কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেছে, "ভিসা,
পারমিট ও অন্যান্য কনস্যুলার
সেবা পেতে আবেদনকারীদের অবশ্যই
নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। জাল
কাগজপত্র ব্যবহার, অবিশ্বস্ত বা লাইসেন্সবিহীন এজেন্টের
সহায়তা নেওয়া এবং অননুমোদিত ব্যক্তি
বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ প্রদান
থেকে বিরত থাকতে হবে।"
জালিয়াতির
পরিণাম সম্পর্কে দেশগুলো জানায়, এ ধরনের অনিয়মের
কারণে ভিসা প্রক্রিয়ায় কেবল
বিলম্বই হবে না, বরং
বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি, সীমান্তে প্রবেশে চিরস্থায়ী বাধা এবং গুরুতর
আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে।
মধ্যস্বত্বভোগীদের
দৌরাত্ম্য বন্ধে দেশগুলো তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে বিবৃতিতে উল্লেখ
করেছে, কোনো দেশের দূতাবাস
বা মিশন কোনো এজেন্টের
সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়।
ভিসা
প্রক্রিয়ায় বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার দাবি করে এমন
তথাকথিত মধ্যস্থতাকারীদের ওপর নির্ভর না
করার পরামর্শ দিয়ে বিবৃতিতে বলা
হয়, "যাচাই তথ্য ও সংশ্লিষ্ট
দেশের সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে সব কার্যক্রম সম্পন্ন
করতে হবে। এতে সবার
জন্য নিরাপদ, স্বচ্ছ ও ন্যায্য আবেদন
প্রক্রিয়া নিশ্চিত হবে।"
যৌথ
এই সতর্কবার্তায় স্বাক্ষর করেছে যুক্তরাজ্য, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, হাঙ্গেরি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া।
কূটনৈতিক
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক
সময়ে ভিসা আবেদনে ভুয়া
নথিপত্র ও দালালের প্রভাব
বেড়ে যাওয়ায় এমন শক্ত অবস্থান
নিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো। তাই বিদেশ যাত্রার
স্বপ্ন পূরণে আবেদনকারীদের এখন থেকে প্রতিটি
ধাপে অধিকতর সচেতন হতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন