বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন ও আধুনিকায়নে এক ‘বড় পদক্ষেপ’ গ্রহণ করেছে সরকার। চলতি বছরই ভারত থেকে ২০০টি অত্যাধুনিক ব্রডগেজ কোচ আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার
জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য ইলিয়াস
মোল্লা ও রুহুল আমিনের
পৃথক প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্পিকার
হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে মন্ত্রী জানান, ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত
হচ্ছে। প্রকল্পের সময়সূচী অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন
থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের
মধ্যে সবকটি কোচ রেলবহরে যুক্ত
হবে। এই ক্যারেজগুলো হাতে
পাওয়ার পর নতুন ট্রেন
পরিচালনার জন্য রুট নির্ধারণের
উদ্যোগ নেবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
ডিজিটাল
ডিসপ্লেতে দেখা যাবে এসি বাসের ভাড়ার তালিকা
গণপরিবহনে
ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য বন্ধে
কঠোর হচ্ছে সরকার। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন
ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
জানান, খুব দ্রুতই এসি
বাস ও মিনিবাসের জন্য
নতুন ভাড়ার তালিকা তৈরি করা হবে।
যাত্রীদের সুবিধার্থে এই তালিকা বাসের
ভেতরে ডিজিটাল ডিসপ্লেতে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে
ভাড়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। এর ফলে
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রবণতা
কমবে বলে আশা করা
হচ্ছে।
জিপিএস
প্রযুক্তিতে নিয়ন্ত্রিত হবে গণপরিবহন
পরিবহন
খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবার আধুনিক প্রযুক্তি
ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে বিআরটিএ। সংসদ সদস্য আবুল
কালাম আজাদ সিদ্দিকীর প্রশ্নের
জবাবে মন্ত্রী জানান, সড়ক-মহাসড়কে চলাচলকারী
গণপরিবহনে জিপিএস প্রযুক্তি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রযুক্তি চালু
হলে বাসের অবস্থান ও গতি সহজে
পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
তিনি
বলেন, জিপিএস প্রযুক্তি চালু হলে সড়কে
যত্রতত্র গাড়ি থামিয়ে যাত্রী
ওঠানামা করা এবং অতিরিক্ত
ভাড়া আদায় নিয়ন্ত্রণ করা
সম্ভব হবে। এছাড়া কোনো
চালক গতিসীমা লঙ্ঘন করলে বা ট্রাফিক
আইন অমান্য করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে
রেকর্ড হবে এবং দোষীদের
বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা
নেওয়া হবে।
অনিয়মে
জড়িত ৮১ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কালো তালিকায়
সরকারি
ক্রয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সরকার
জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের প্রশ্নের
জবাবে সেতুমন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালের শুরু
থেকে এখন পর্যন্ত প্রতারণামূলক
কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে
৮১টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন মেয়াদে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি
আরও জানান, কোনো সরকারি কর্মকর্তা
বা কর্মচারী পেশাগত অসদাচরণে জড়িত হলে তাদের
ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। বর্তমানে বেশ
কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া
অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন ও আধুনিকায়নে এক ‘বড় পদক্ষেপ’ গ্রহণ করেছে সরকার। চলতি বছরই ভারত থেকে ২০০টি অত্যাধুনিক ব্রডগেজ কোচ আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার
জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য ইলিয়াস
মোল্লা ও রুহুল আমিনের
পৃথক প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্পিকার
হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে মন্ত্রী জানান, ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত
হচ্ছে। প্রকল্পের সময়সূচী অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন
থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের
মধ্যে সবকটি কোচ রেলবহরে যুক্ত
হবে। এই ক্যারেজগুলো হাতে
পাওয়ার পর নতুন ট্রেন
পরিচালনার জন্য রুট নির্ধারণের
উদ্যোগ নেবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
ডিজিটাল
ডিসপ্লেতে দেখা যাবে এসি বাসের ভাড়ার তালিকা
গণপরিবহনে
ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য বন্ধে
কঠোর হচ্ছে সরকার। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন
ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
জানান, খুব দ্রুতই এসি
বাস ও মিনিবাসের জন্য
নতুন ভাড়ার তালিকা তৈরি করা হবে।
যাত্রীদের সুবিধার্থে এই তালিকা বাসের
ভেতরে ডিজিটাল ডিসপ্লেতে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে
ভাড়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। এর ফলে
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রবণতা
কমবে বলে আশা করা
হচ্ছে।
জিপিএস
প্রযুক্তিতে নিয়ন্ত্রিত হবে গণপরিবহন
পরিবহন
খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবার আধুনিক প্রযুক্তি
ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে বিআরটিএ। সংসদ সদস্য আবুল
কালাম আজাদ সিদ্দিকীর প্রশ্নের
জবাবে মন্ত্রী জানান, সড়ক-মহাসড়কে চলাচলকারী
গণপরিবহনে জিপিএস প্রযুক্তি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রযুক্তি চালু
হলে বাসের অবস্থান ও গতি সহজে
পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
তিনি
বলেন, জিপিএস প্রযুক্তি চালু হলে সড়কে
যত্রতত্র গাড়ি থামিয়ে যাত্রী
ওঠানামা করা এবং অতিরিক্ত
ভাড়া আদায় নিয়ন্ত্রণ করা
সম্ভব হবে। এছাড়া কোনো
চালক গতিসীমা লঙ্ঘন করলে বা ট্রাফিক
আইন অমান্য করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে
রেকর্ড হবে এবং দোষীদের
বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা
নেওয়া হবে।
অনিয়মে
জড়িত ৮১ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কালো তালিকায়
সরকারি
ক্রয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সরকার
জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের প্রশ্নের
জবাবে সেতুমন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালের শুরু
থেকে এখন পর্যন্ত প্রতারণামূলক
কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে
৮১টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন মেয়াদে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি
আরও জানান, কোনো সরকারি কর্মকর্তা
বা কর্মচারী পেশাগত অসদাচরণে জড়িত হলে তাদের
ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। বর্তমানে বেশ
কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া
অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন