অবশেষে সুখবর এলো প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য। দীর্ঘ অপেক্ষার পর পুনরায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার খুলতে রাজি হয়েছে মালয়েশিয়া। তবে এবার প্রক্রিয়া হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন। চমকের বিষয় হলো, নতুন এই ব্যবস্থায় নিয়োগ দেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। আর কর্মীরা যেতে পারবেন প্রায় শূন্য খরচে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকারের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন অংশ নেন। মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন মানবসম্পদমন্ত্রী দাতো রমনন রামকৃষ্ণন।
বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, মালয়েশিয়া সব উৎস দেশের জন্য একটি এআইভিত্তিক প্রযুক্তিনির্ভর নিয়োগ ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী কমিয়ে আনা হবে। অভিবাসন খরচ অনেক কমে যাবে। এমনকি নিয়োগকর্তারা যেন নিয়োগের পুরো খরচ বহন করেন, সেটি নিশ্চিত করা হবে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) নির্দেশনা অনুযায়ী ‘নিয়োগকর্তাই অর্থ প্রদান করবেন’ নীতি বাস্তবায়িত হলে শ্রমিকদের খরচ থাকবে শূন্যের কাছাকাছি।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বাস্তবায়নে পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার প্রস্তুতি ব্যক্ত করা হয়েছে। উভয় দেশ একটি স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাস্তবসম্মত কাঠামোতে কাজ করতে রাজি হয়েছে। খাতভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার দ্রুত খোলার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে সম্মত হয়েছে উভয় পক্ষ।
এছাড়া মানবপাচার ও ভিত্তিহীন মামলা সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ যথাযথ প্রক্রিয়া ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীর এটি প্রথম বিদেশ সফর। আর এই সফরেই এলো দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সুখবর। এখন অপেক্ষা শুধু প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
অবশেষে সুখবর এলো প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য। দীর্ঘ অপেক্ষার পর পুনরায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার খুলতে রাজি হয়েছে মালয়েশিয়া। তবে এবার প্রক্রিয়া হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন। চমকের বিষয় হলো, নতুন এই ব্যবস্থায় নিয়োগ দেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। আর কর্মীরা যেতে পারবেন প্রায় শূন্য খরচে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকারের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন অংশ নেন। মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন মানবসম্পদমন্ত্রী দাতো রমনন রামকৃষ্ণন।
বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, মালয়েশিয়া সব উৎস দেশের জন্য একটি এআইভিত্তিক প্রযুক্তিনির্ভর নিয়োগ ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী কমিয়ে আনা হবে। অভিবাসন খরচ অনেক কমে যাবে। এমনকি নিয়োগকর্তারা যেন নিয়োগের পুরো খরচ বহন করেন, সেটি নিশ্চিত করা হবে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) নির্দেশনা অনুযায়ী ‘নিয়োগকর্তাই অর্থ প্রদান করবেন’ নীতি বাস্তবায়িত হলে শ্রমিকদের খরচ থাকবে শূন্যের কাছাকাছি।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বাস্তবায়নে পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার প্রস্তুতি ব্যক্ত করা হয়েছে। উভয় দেশ একটি স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাস্তবসম্মত কাঠামোতে কাজ করতে রাজি হয়েছে। খাতভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার দ্রুত খোলার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে সম্মত হয়েছে উভয় পক্ষ।
এছাড়া মানবপাচার ও ভিত্তিহীন মামলা সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ যথাযথ প্রক্রিয়া ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীর এটি প্রথম বিদেশ সফর। আর এই সফরেই এলো দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সুখবর। এখন অপেক্ষা শুধু প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার।

আপনার মতামত লিখুন