আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে সারাদেশে শুরু হতে যাওয়া প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি কেন্দ্রে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
সম্প্রতি
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ
মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-২ শাখার সিনিয়র
সহকারী সচিব সুশান্ত কুমার
সাহা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই
আদেশ প্রদান করা হয়।
নির্দেশনায়
বলা হয়েছে, পরীক্ষার দিনগুলোতে শিক্ষার্থীদের শারীরিক কোনো সমস্যা বা
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে।
এবারের
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা মোট দুই দফায়
অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। পার্বত্য
তিন জেলা ব্যতীত দেশের
বাকি ৬১টি জেলায় আগামী
১৫, ১৬, ১৭ এবং
১৮ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে।
অন্যদিকে
রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায়
পরীক্ষা শুরু হবে ১৭
এপ্রিল এবং চলবে ২০
এপ্রিল পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে
দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট
পর্যন্ত এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
হবে। প্রচণ্ড গরম এবং শিশুদের
দীর্ঘক্ষণ পরীক্ষার কথা মাথায় রেখেই
মন্ত্রণালয় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
নিয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে নির্ধারিত স্বাস্থ্যকর্মীরা পরীক্ষার পুরো সময় উপস্থিত
থেকে প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জামসহ প্রস্তুত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে সারাদেশে শুরু হতে যাওয়া প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি কেন্দ্রে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
সম্প্রতি
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ
মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-২ শাখার সিনিয়র
সহকারী সচিব সুশান্ত কুমার
সাহা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই
আদেশ প্রদান করা হয়।
নির্দেশনায়
বলা হয়েছে, পরীক্ষার দিনগুলোতে শিক্ষার্থীদের শারীরিক কোনো সমস্যা বা
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে।
এবারের
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা মোট দুই দফায়
অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। পার্বত্য
তিন জেলা ব্যতীত দেশের
বাকি ৬১টি জেলায় আগামী
১৫, ১৬, ১৭ এবং
১৮ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে।
অন্যদিকে
রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায়
পরীক্ষা শুরু হবে ১৭
এপ্রিল এবং চলবে ২০
এপ্রিল পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে
দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট
পর্যন্ত এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
হবে। প্রচণ্ড গরম এবং শিশুদের
দীর্ঘক্ষণ পরীক্ষার কথা মাথায় রেখেই
মন্ত্রণালয় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
নিয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে নির্ধারিত স্বাস্থ্যকর্মীরা পরীক্ষার পুরো সময় উপস্থিত
থেকে প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জামসহ প্রস্তুত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন