দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ে জনমনে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। বর্তমানে দেশে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫২৪ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে, যা দিয়ে স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা পুরোপুরি সম্ভব।
বৃহস্পতিবার
সচিবালয়ে এক জরুরি সংবাদ
সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ
বিভাগের যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী
এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
মজুতের
বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরে মনির
হোসেন চৌধুরী বলেন, "বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশে মোট ১
লাখ ৬৯ হাজার ৫২৪
মেট্রিক টন জ্বালানি তেল
মজুত রয়েছে। এর মধ্যে ডিজেল
১ লাখ ৪৩ হাজার
১৪৩ মেট্রিক টন, অকটেন ৯
হাজার ৫৬৯ মেট্রিক টন
এবং পেট্রোল রয়েছে ১৬ হাজার ৮১২
মেট্রিক টন। এই মজুত
দিয়ে বিশেষ করে অকটেন ও
পেট্রোলের ক্ষেত্রে আগামী দুই মাসেও কোনো
সংকট হবে না। নিয়মিত
আমদানি ও জাহাজ খালাস
কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকায় সরবরাহে কোনো ঘাটতির আশঙ্কা
নেই।"
আন্তর্জাতিক
বাজারের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে তিনি আরও
বলেন, "বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও সরকার
ভর্তুকি দিয়ে বাজার স্থিতিশীল
রাখছে। বর্তমানে জ্বালানি খাতে প্রতি মাসে
সরকার প্রায় আড়াই হাজার কোটি
টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। বিশ্বের অন্তত ৮০-৮৫টি দেশে
জ্বালানির দাম বাড়লেও বাংলাদেশে
এর সরাসরি প্রভাব পড়তে দেওয়া হচ্ছে
না।"
ফিলিং
স্টেশনের ভিড় প্রসঙ্গে তিনি
মন্তব্য করেন, এটি সংকটের কারণে
নয় বরং মানুষের আতঙ্ক
ও অতিরিক্ত মজুতের ফল।
তবে
অবৈধ মজুত রোধে সরকার
কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং নিয়মিত অভিযানের
মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া
হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ে জনমনে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। বর্তমানে দেশে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫২৪ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে, যা দিয়ে স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা পুরোপুরি সম্ভব।
বৃহস্পতিবার
সচিবালয়ে এক জরুরি সংবাদ
সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ
বিভাগের যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী
এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
মজুতের
বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরে মনির
হোসেন চৌধুরী বলেন, "বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশে মোট ১
লাখ ৬৯ হাজার ৫২৪
মেট্রিক টন জ্বালানি তেল
মজুত রয়েছে। এর মধ্যে ডিজেল
১ লাখ ৪৩ হাজার
১৪৩ মেট্রিক টন, অকটেন ৯
হাজার ৫৬৯ মেট্রিক টন
এবং পেট্রোল রয়েছে ১৬ হাজার ৮১২
মেট্রিক টন। এই মজুত
দিয়ে বিশেষ করে অকটেন ও
পেট্রোলের ক্ষেত্রে আগামী দুই মাসেও কোনো
সংকট হবে না। নিয়মিত
আমদানি ও জাহাজ খালাস
কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকায় সরবরাহে কোনো ঘাটতির আশঙ্কা
নেই।"
আন্তর্জাতিক
বাজারের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে তিনি আরও
বলেন, "বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও সরকার
ভর্তুকি দিয়ে বাজার স্থিতিশীল
রাখছে। বর্তমানে জ্বালানি খাতে প্রতি মাসে
সরকার প্রায় আড়াই হাজার কোটি
টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। বিশ্বের অন্তত ৮০-৮৫টি দেশে
জ্বালানির দাম বাড়লেও বাংলাদেশে
এর সরাসরি প্রভাব পড়তে দেওয়া হচ্ছে
না।"
ফিলিং
স্টেশনের ভিড় প্রসঙ্গে তিনি
মন্তব্য করেন, এটি সংকটের কারণে
নয় বরং মানুষের আতঙ্ক
ও অতিরিক্ত মজুতের ফল।
তবে
অবৈধ মজুত রোধে সরকার
কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং নিয়মিত অভিযানের
মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া
হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন