অধিবেশন থেকে আগেও দুই দফায় ওয়াকআউট করেছিল সংসদের বিরোধী দল জামায়াত। তৃতীয় দফায় ছুটির দিন শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সংসদের অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করলো রাজনৈতিক বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ এনে।
সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের নেতৃত্বেওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের সদস্যরা। তার আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের অধ্যাদেশগুলোর অনুমোদন নিয়ে সরকারি দলের বিরুদ্ধে বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ আনেন।
যে অভিযোগ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে বিতর্ক চলে। এক পর্যায়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আজকে আমরা দুঃখ নিয়ে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি। ভবিষ্যতে আবার দেখা হবে।’
গত ১ এপ্রিল জুলাই জাতীয় সনদ ইস্যুতে জাতীয় সংসদে সিদ্ধান্ত না আসায় প্রথমবারের মতো ওয়াকআউট করে বিরোধী দল। সে সময় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছিলেন, জনগণের দাবি আদায়ে আন্দোলন ছাড়া আর কোনো পথ নেই। দ্রুত সিদ্ধান্ত জানাবে ১১ দল।
এরপর গত ৯ এপ্রিল স্থানীয় সরকার পৌরসভা সংশোধন বিল, ২০২৬ পাসের পর সংসদের বৈঠক থেকে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন।
বিকেলে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ অনুমোদন নিয়ে প্রথম বিতর্কের সূচনা হয়। অধ্যাদেশটি হুবহু অনুমোদনের সুপারিশ করেছিল সংসদের বিশেষ কমিটি। তবে সেখানে সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ে এমন তিনটি সংশোধনী এনে বিল পাস করে জাতীয় সংসদ।
বিল পাসের পর বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, এখানে সংশোধনী আনার মাধ্যমে সরকারি দল রাজনৈতিক সমঝোতা ভঙ্গ করেছে। দিনদুপুরে, ছলচাতুরীর মাধ্যমে সংশোধিত আকারে বিলটি পাস করা হয়েছে।
সরকারি দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংশোধনী একজন বেসরকারি সদস্য এনেছেন। সরকার আনেনি। প্রয়োজনে পরে এ বিলটি আবার সংশোধন করা যাবে।
বিষয়টি নিয়ে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সঙ্গে বিতর্কের এক পর্যায়ে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
অধিবেশন থেকে আগেও দুই দফায় ওয়াকআউট করেছিল সংসদের বিরোধী দল জামায়াত। তৃতীয় দফায় ছুটির দিন শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সংসদের অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করলো রাজনৈতিক বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ এনে।
সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের নেতৃত্বেওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের সদস্যরা। তার আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের অধ্যাদেশগুলোর অনুমোদন নিয়ে সরকারি দলের বিরুদ্ধে বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ আনেন।
যে অভিযোগ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে বিতর্ক চলে। এক পর্যায়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আজকে আমরা দুঃখ নিয়ে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি। ভবিষ্যতে আবার দেখা হবে।’
গত ১ এপ্রিল জুলাই জাতীয় সনদ ইস্যুতে জাতীয় সংসদে সিদ্ধান্ত না আসায় প্রথমবারের মতো ওয়াকআউট করে বিরোধী দল। সে সময় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছিলেন, জনগণের দাবি আদায়ে আন্দোলন ছাড়া আর কোনো পথ নেই। দ্রুত সিদ্ধান্ত জানাবে ১১ দল।
এরপর গত ৯ এপ্রিল স্থানীয় সরকার পৌরসভা সংশোধন বিল, ২০২৬ পাসের পর সংসদের বৈঠক থেকে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন।
বিকেলে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ অনুমোদন নিয়ে প্রথম বিতর্কের সূচনা হয়। অধ্যাদেশটি হুবহু অনুমোদনের সুপারিশ করেছিল সংসদের বিশেষ কমিটি। তবে সেখানে সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ে এমন তিনটি সংশোধনী এনে বিল পাস করে জাতীয় সংসদ।
বিল পাসের পর বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, এখানে সংশোধনী আনার মাধ্যমে সরকারি দল রাজনৈতিক সমঝোতা ভঙ্গ করেছে। দিনদুপুরে, ছলচাতুরীর মাধ্যমে সংশোধিত আকারে বিলটি পাস করা হয়েছে।
সরকারি দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংশোধনী একজন বেসরকারি সদস্য এনেছেন। সরকার আনেনি। প্রয়োজনে পরে এ বিলটি আবার সংশোধন করা যাবে।
বিষয়টি নিয়ে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সঙ্গে বিতর্কের এক পর্যায়ে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।

আপনার মতামত লিখুন