ইরানের সদিচ্ছা থাকুক বা না থাকুক, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ খুব দ্রুতই জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও এই পথটি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহারের জন্য খুব একটা প্রয়োজন নেই বলে দাবি করেছেন তিনি।
শুক্রবার ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। ইরান যদি এই জলপথ উন্মুক্ত করতে সহযোগিতা না-ও করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব পন্থায় তা কার্যকর করবে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন। এ ক্ষেত্রে কোনো ‘ব্যাকআপ’ বা বিকল্প পরিকল্পনা আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, “বিকল্প পরিকল্পনার কোনো প্রয়োজন নেই।”
ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে যাওয়া মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বিষয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ভ্যান্সকে তিনি ‘শুভকামনা’ জানিয়েছেন। তবে এই আলোচনা এক বৈঠকেই শেষ হবে নাকি আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরে চলবে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে ট্রাম্পের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। এমনকি ট্রাম্প দাবি করেন যে, ইরানে ইতোমধ্যেই ‘শাসন পরিবর্তন’ (রেজিম চেঞ্জ) ঘটে গেছে বলে তিনি মনে করেন।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর ইরান টোল বা কর আদায় করার পরিকল্পনা করছে এমন খবরের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প সরাসরি বলেন, “আমরা তা হতে দেবো না।” তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, আন্তর্জাতিক এই জলপথে ইরানের এমন কোনো আধিপত্য যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে না।
উল্লেখ্য, বর্তমানে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যেখানে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার বিষয়টিই মূল এজেন্ডা হিসেবে রয়েছে।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সদিচ্ছা থাকুক বা না থাকুক, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ খুব দ্রুতই জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও এই পথটি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহারের জন্য খুব একটা প্রয়োজন নেই বলে দাবি করেছেন তিনি।
শুক্রবার ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। ইরান যদি এই জলপথ উন্মুক্ত করতে সহযোগিতা না-ও করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব পন্থায় তা কার্যকর করবে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন। এ ক্ষেত্রে কোনো ‘ব্যাকআপ’ বা বিকল্প পরিকল্পনা আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, “বিকল্প পরিকল্পনার কোনো প্রয়োজন নেই।”
ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে যাওয়া মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বিষয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ভ্যান্সকে তিনি ‘শুভকামনা’ জানিয়েছেন। তবে এই আলোচনা এক বৈঠকেই শেষ হবে নাকি আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরে চলবে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে ট্রাম্পের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। এমনকি ট্রাম্প দাবি করেন যে, ইরানে ইতোমধ্যেই ‘শাসন পরিবর্তন’ (রেজিম চেঞ্জ) ঘটে গেছে বলে তিনি মনে করেন।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর ইরান টোল বা কর আদায় করার পরিকল্পনা করছে এমন খবরের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প সরাসরি বলেন, “আমরা তা হতে দেবো না।” তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, আন্তর্জাতিক এই জলপথে ইরানের এমন কোনো আধিপত্য যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে না।
উল্লেখ্য, বর্তমানে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যেখানে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার বিষয়টিই মূল এজেন্ডা হিসেবে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন