দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ শহরে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় লেবাননের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর ১৩ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ অউনের কার্যালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রেসিডেন্ট জোসেফ অউন এই হামলাকে বর্বরোচিত আখ্যা দিয়ে এর
তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তবে এই রক্তক্ষয়ী হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী
(আইডিএফ) এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। বিবিসি জানিয়েছে, দক্ষিণ
লেবাননের নাবাতিয়েহ শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
হামলার এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই লেবানন ও ইসরায়েলের
মধ্যে সম্ভাব্য সরাসরি আলোচনার বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে লেবাননের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের
এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, আগে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে; কেবল
তখনই আগামী সপ্তাহে ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসবে লেবানন। অর্থাৎ, হামলা অব্যাহত
থাকা অবস্থায় কোনো সংলাপে অংশ নেবে না বৈরুত।
লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি বৈঠকের দিন ও সময় এখনো চূড়ান্ত
করা হয়নি। দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সংলাপের ইতিহাস অত্যন্ত বিরল। সাধারণত দেশ দুটি যুক্তরাষ্ট্রের
মতো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতায় পরোক্ষভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে। ২০২৪ সালের নভেম্বরের
যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকেই আলোচনার পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে।
ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা
চলমান থাকা মূলত যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন। অন্যদিকে ইসরায়েলের সাফ কথা তারা ইরানের
ওপর হামলা বন্ধ রাখলেও লেবাননের অভিযান এর অন্তর্ভুক্ত নয়। ইসরায়েল দাবি করছে, তাদের
লেবানন অভিযান ও সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।
নাবাতিয়েহ শহরে এই সাম্প্রতিক নিহতের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে
শান্তি আলোচনার প্রক্রিয়াকে আবারও অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে দিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ শহরে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় লেবাননের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর ১৩ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ অউনের কার্যালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রেসিডেন্ট জোসেফ অউন এই হামলাকে বর্বরোচিত আখ্যা দিয়ে এর
তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তবে এই রক্তক্ষয়ী হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী
(আইডিএফ) এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। বিবিসি জানিয়েছে, দক্ষিণ
লেবাননের নাবাতিয়েহ শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
হামলার এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই লেবানন ও ইসরায়েলের
মধ্যে সম্ভাব্য সরাসরি আলোচনার বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে লেবাননের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের
এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, আগে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে; কেবল
তখনই আগামী সপ্তাহে ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসবে লেবানন। অর্থাৎ, হামলা অব্যাহত
থাকা অবস্থায় কোনো সংলাপে অংশ নেবে না বৈরুত।
লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি বৈঠকের দিন ও সময় এখনো চূড়ান্ত
করা হয়নি। দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সংলাপের ইতিহাস অত্যন্ত বিরল। সাধারণত দেশ দুটি যুক্তরাষ্ট্রের
মতো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতায় পরোক্ষভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে। ২০২৪ সালের নভেম্বরের
যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকেই আলোচনার পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে।
ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা
চলমান থাকা মূলত যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন। অন্যদিকে ইসরায়েলের সাফ কথা তারা ইরানের
ওপর হামলা বন্ধ রাখলেও লেবাননের অভিযান এর অন্তর্ভুক্ত নয়। ইসরায়েল দাবি করছে, তাদের
লেবানন অভিযান ও সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।
নাবাতিয়েহ শহরে এই সাম্প্রতিক নিহতের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে
শান্তি আলোচনার প্রক্রিয়াকে আবারও অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে দিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন