যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের দেওয়া ‘পূর্বশর্ত’ মেনে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। স্থানীয় সময় আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) এ খবর জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।
ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদ থেকে দেওয়া এক বক্তব্যে গালিবাফ দাবি করেছেন, আলোচনার বিষয়ে ইরানের সদিচ্ছা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তাদের কোনো আস্থা নেই। তিনি আরও যোগ করেন, ওয়াশিংটন যদি একটি ‘প্রকৃত চুক্তির’ প্রস্তাব দেয় এবং ইরানের অধিকার ফিরিয়ে দেয়, তবেই কেবল একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রস্তুত তেহরান।
গালিবাফের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলে দেশটির রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা রয়েছেন। প্রতিনিধিদলে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা পরিষদের সচিব, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এবং পার্লামেন্টের বেশ কয়েকজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত আছেন।
উল্লেখ্য, আজ শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্মরণকালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই হাই-প্রোফাইল বৈঠক। মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ও যুদ্ধবিরতির লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এই বৈঠককে ঘিরে সারাবিশ্বের নজর এখন পাকিস্তানের দিকে।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের দেওয়া ‘পূর্বশর্ত’ মেনে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। স্থানীয় সময় আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) এ খবর জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।
ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদ থেকে দেওয়া এক বক্তব্যে গালিবাফ দাবি করেছেন, আলোচনার বিষয়ে ইরানের সদিচ্ছা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তাদের কোনো আস্থা নেই। তিনি আরও যোগ করেন, ওয়াশিংটন যদি একটি ‘প্রকৃত চুক্তির’ প্রস্তাব দেয় এবং ইরানের অধিকার ফিরিয়ে দেয়, তবেই কেবল একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রস্তুত তেহরান।
গালিবাফের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলে দেশটির রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা রয়েছেন। প্রতিনিধিদলে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা পরিষদের সচিব, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এবং পার্লামেন্টের বেশ কয়েকজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত আছেন।
উল্লেখ্য, আজ শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্মরণকালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই হাই-প্রোফাইল বৈঠক। মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ও যুদ্ধবিরতির লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এই বৈঠককে ঘিরে সারাবিশ্বের নজর এখন পাকিস্তানের দিকে।

আপনার মতামত লিখুন