শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের ইসলামাবাদে শুরু হতে যাওয়া ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনায় মুখোমুখি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ফেরানোর লক্ষ্যে এই বৈঠকে উভয় পক্ষই বেশ কিছু জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনায় বসবে।
ইরানের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই লেবাননে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করতে হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবস্থান হলো, লেবানন এই যুদ্ধবিরতি আলোচনার অংশ নয়। ইরান এই অবস্থানের সঙ্গে একমত না হলেও আলোচনার টেবিলে দুই পক্ষই হাজির হয়েছে। উল্লেখ্য, মার্চ থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
ইরান চায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর আরোপিত দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করুক এবং বিভিন্ন দেশে জব্দকৃত ইরানি অর্থ দ্রুত ছাড় দেওয়ার ব্যবস্থা করুক। ওয়াশিংটন অবশ্য ইঙ্গিত দিয়েছে যে, ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করার শর্তে কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হতে পারে।
হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এবং জাহাজ চলাচলের বিপরীতে টোল আদায়ের অধিকার চায় তেহরান। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র চায় কোনো ধরনের সীমাবদ্ধতা বা টোল ছাড়াই তেলবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচলের জন্য এই জলপথ উন্মুক্ত রাখতে।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা হোক। তবে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তাদের প্রতিরক্ষা বা ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনার অবকাশ নেই।
ইরান মধ্যপ্রাচ্য থেকে সব মার্কিন যুদ্ধবিমান ও স্থলবাহিনী প্রত্যাহার এবং আর কোনো আগ্রাসন না চালানোর নিশ্চয়তা দাবি করছে। বিপরীতে, ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, একটি গ্রহণযোগ্য শান্তিচুক্তি না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বজায় থাকবে। এমনকি শর্ত মানা না হলে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের ইসলামাবাদে শুরু হতে যাওয়া ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনায় মুখোমুখি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ফেরানোর লক্ষ্যে এই বৈঠকে উভয় পক্ষই বেশ কিছু জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনায় বসবে।
ইরানের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই লেবাননে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করতে হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবস্থান হলো, লেবানন এই যুদ্ধবিরতি আলোচনার অংশ নয়। ইরান এই অবস্থানের সঙ্গে একমত না হলেও আলোচনার টেবিলে দুই পক্ষই হাজির হয়েছে। উল্লেখ্য, মার্চ থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
ইরান চায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর আরোপিত দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করুক এবং বিভিন্ন দেশে জব্দকৃত ইরানি অর্থ দ্রুত ছাড় দেওয়ার ব্যবস্থা করুক। ওয়াশিংটন অবশ্য ইঙ্গিত দিয়েছে যে, ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করার শর্তে কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হতে পারে।
হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এবং জাহাজ চলাচলের বিপরীতে টোল আদায়ের অধিকার চায় তেহরান। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র চায় কোনো ধরনের সীমাবদ্ধতা বা টোল ছাড়াই তেলবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচলের জন্য এই জলপথ উন্মুক্ত রাখতে।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা হোক। তবে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তাদের প্রতিরক্ষা বা ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনার অবকাশ নেই।
ইরান মধ্যপ্রাচ্য থেকে সব মার্কিন যুদ্ধবিমান ও স্থলবাহিনী প্রত্যাহার এবং আর কোনো আগ্রাসন না চালানোর নিশ্চয়তা দাবি করছে। বিপরীতে, ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, একটি গ্রহণযোগ্য শান্তিচুক্তি না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বজায় থাকবে। এমনকি শর্ত মানা না হলে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন