পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আজ শুরু হতে যাওয়া ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনার শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তীব্র অনাস্থা প্রকাশ করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের ওপর ‘পুরোপুরি অবিশ্বাস’ নিয়ে তারা আলোচনায় বসছেন।
ইরানি বার্তা সংস্থা মেহের নিউজের বরাত দিয়ে আল-জাজিরা জানিয়েছে, সম্প্রতি জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়েডফুলের সঙ্গে এক আলাপকালে আরাগচি এই মন্তব্য করেন। ওয়াশিংটনের অতীতের নানা কর্মকাণ্ডকে ‘প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ’ ও ‘কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন তিনি। আরাগচি স্পষ্ট করে বলেন, ইরান তার দেশের জনগণের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় পুরো শক্তি দিয়ে লড়বে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ইসলামাবাদের হাই-প্রোফাইল এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা হ্রাস এবং যুদ্ধবিরতির লক্ষ্য নিয়ে দুই দেশ টেবিলে বসলেও ইরানের এই কঠোর অবস্থান আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে সংশয় তৈরি করেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আলোচনার আগেই তেহরানের এই চরম নেতিবাচক অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, একটি সফল চুক্তিতে পৌঁছানো অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হবে। একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর শর্তাবলি এবং অন্যদিকে ইরানের এই ‘অবিশ্বাস’ এই দুইয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শুরু হওয়া এই বৈঠক কতটুকু সফল হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আজ শুরু হতে যাওয়া ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনার শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তীব্র অনাস্থা প্রকাশ করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের ওপর ‘পুরোপুরি অবিশ্বাস’ নিয়ে তারা আলোচনায় বসছেন।
ইরানি বার্তা সংস্থা মেহের নিউজের বরাত দিয়ে আল-জাজিরা জানিয়েছে, সম্প্রতি জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়েডফুলের সঙ্গে এক আলাপকালে আরাগচি এই মন্তব্য করেন। ওয়াশিংটনের অতীতের নানা কর্মকাণ্ডকে ‘প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ’ ও ‘কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন তিনি। আরাগচি স্পষ্ট করে বলেন, ইরান তার দেশের জনগণের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় পুরো শক্তি দিয়ে লড়বে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ইসলামাবাদের হাই-প্রোফাইল এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা হ্রাস এবং যুদ্ধবিরতির লক্ষ্য নিয়ে দুই দেশ টেবিলে বসলেও ইরানের এই কঠোর অবস্থান আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে সংশয় তৈরি করেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আলোচনার আগেই তেহরানের এই চরম নেতিবাচক অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, একটি সফল চুক্তিতে পৌঁছানো অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হবে। একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর শর্তাবলি এবং অন্যদিকে ইরানের এই ‘অবিশ্বাস’ এই দুইয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শুরু হওয়া এই বৈঠক কতটুকু সফল হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন