ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা শেষে এক গুরুত্বপূর্ণ ব্রিফিংয়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, এমন একটি শক্তিশালী ও সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি চায় ওয়াশিংটন।
জেডি ভ্যান্স বলেন, দুই দেশের মধ্যে যেকোনো ধরনের স্থায়ী
সমঝোতায় পৌঁছাতে হলে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র বর্জনের বিষয়ে ‘স্পষ্ট অঙ্গীকার’ করতে
হবে। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে আলোচনার অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে দেখা
হচ্ছে।
ব্রিফিংয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট আরও যোগ করেন:
"সহজ কথা হলো, আমাদের এমন একটি জোরাল প্রতিশ্রুতি দেখতে
হবে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। এমনকি ভবিষ্যতে দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র
তৈরিতে সক্ষম এমন কোনো সরঞ্জাম বা প্রযুক্তিও তারা অর্জনের চেষ্টা করবে না।"
পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়াও হরমুজ প্রণালি ও অন্যান্য আঞ্চলিক
নিরাপত্তা ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে গভীর মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। জেডি ভ্যান্সের এই
মন্তব্যের পর রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের প্রযুক্তিগত
দিকগুলো নিয়ে তেহরান কোনো ছাড় দিতে রাজি না হওয়ায় ইসলামাবাদ বৈঠক কোনো ফল ছাড়াই শেষ
হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এমন অনড় অবস্থানের বিপরীতে ইরান ইতিমধ্যেই
তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে ওয়াশিংটনের এসব শর্তকে ‘উচ্চাভিলাষী’
এবং ‘অতিরিক্ত দাবি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা শেষে এক গুরুত্বপূর্ণ ব্রিফিংয়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, এমন একটি শক্তিশালী ও সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি চায় ওয়াশিংটন।
জেডি ভ্যান্স বলেন, দুই দেশের মধ্যে যেকোনো ধরনের স্থায়ী
সমঝোতায় পৌঁছাতে হলে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র বর্জনের বিষয়ে ‘স্পষ্ট অঙ্গীকার’ করতে
হবে। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে আলোচনার অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে দেখা
হচ্ছে।
ব্রিফিংয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট আরও যোগ করেন:
"সহজ কথা হলো, আমাদের এমন একটি জোরাল প্রতিশ্রুতি দেখতে
হবে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। এমনকি ভবিষ্যতে দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র
তৈরিতে সক্ষম এমন কোনো সরঞ্জাম বা প্রযুক্তিও তারা অর্জনের চেষ্টা করবে না।"
পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়াও হরমুজ প্রণালি ও অন্যান্য আঞ্চলিক
নিরাপত্তা ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে গভীর মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। জেডি ভ্যান্সের এই
মন্তব্যের পর রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের প্রযুক্তিগত
দিকগুলো নিয়ে তেহরান কোনো ছাড় দিতে রাজি না হওয়ায় ইসলামাবাদ বৈঠক কোনো ফল ছাড়াই শেষ
হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এমন অনড় অবস্থানের বিপরীতে ইরান ইতিমধ্যেই
তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে ওয়াশিংটনের এসব শর্তকে ‘উচ্চাভিলাষী’
এবং ‘অতিরিক্ত দাবি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন