“সেন্সাসের মাঝেই আবার নতুন সমীক্ষা, এবার জানাতে হবে আপনার আয়ের প্রতিটি খুঁটিনাটি!”ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভে, সেন্সাস—প্রতি ১০ বছর অন্তর দেশজুড়ে এই সমীক্ষাগুলির মাধ্যমে নাগরিকদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। এরই মধ্যে একাধিক রাজ্যে চলছে SIR বা বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া, সেটিও মূলত তথ্য সংগ্রহেরই অংশ।
এই প্রেক্ষাপটে এবার আরও একটি বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্র।
এপ্রিল মাস থেকেই দেশজুড়ে শুরু হতে চলেছে ন্যাশনাল হাউসহোল্ড ইনকাম সার্ভে। ফলে একই
সময়ে সেন্সাস, SIR এবং এই নতুন সমীক্ষা, তিনটি বড় ডেটা সংগ্রহ প্রক্রিয়ার মুখোমুখি
হতে চলেছেন সাধারণ মানুষ।
এই সমীক্ষায় একটি পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আয়ের বিস্তারিত
তথ্য জানাতে হবে। কে কী কাজ করেন, আয়ের উৎস কী, কতদিন ধরে সেই কাজ করছেন, সবকিছুই নথিভুক্ত
করা হবে। শুধু তাই নয়, পরিবারে কেউ নিয়মিত কাউকে টাকা পাঠান কি না, পাঠালে কেন পাঠান,
সেই তথ্যও দিতে হবে।
কেন্দ্রীয় সরকারের পরিসংখ্যান ও প্রকল্প রূপায়ণ মন্ত্রকের
অধীনে ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকস অফিস (NSO) এই সমীক্ষা পরিচালনা করবে। সমীক্ষকরা ঘরে
ঘরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন।
সরকারের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, দেশের কোন স্তরের মানুষের কাছে
কতটা সরকারি সহায়তা পৌঁছানো প্রয়োজন, তার সঠিক চিত্র পেতেই এই উদ্যোগ। কারণ, বর্তমানে
আয়করদাতার সংখ্যা সীমিত, প্রায় ১০ কোটির কাছাকাছি। অথচ এর বাইরে বহু মানুষ বিভিন্নভাবে
আয় করেন, যার তথ্য সরকারের কাছে নেই।
তবে প্রশ্ন উঠছে, একটি পরিবারের ক্ষুদ্রতম আয়ের উৎস বা ব্যক্তিগত
লেনদেনের তথ্য পর্যন্ত জানার প্রয়োজনীয়তা কতটা? কে কাকে আর্থিক সাহায্য করছেন, সেটাও
জানার উদ্দেশ্য কী?
সমালোচকদের মতে, ধারাবাহিকভাবে একের পর এক তথ্য সংগ্রহের
উদ্যোগ সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত পরিসরে হস্তক্ষেপ বাড়াতে পারে। অন্যদিকে, সরকারের
দাবি, এই তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনাই ভবিষ্যতে নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
“সেন্সাসের মাঝেই আবার নতুন সমীক্ষা, এবার জানাতে হবে আপনার আয়ের প্রতিটি খুঁটিনাটি!”ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভে, সেন্সাস—প্রতি ১০ বছর অন্তর দেশজুড়ে এই সমীক্ষাগুলির মাধ্যমে নাগরিকদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। এরই মধ্যে একাধিক রাজ্যে চলছে SIR বা বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া, সেটিও মূলত তথ্য সংগ্রহেরই অংশ।
এই প্রেক্ষাপটে এবার আরও একটি বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্র।
এপ্রিল মাস থেকেই দেশজুড়ে শুরু হতে চলেছে ন্যাশনাল হাউসহোল্ড ইনকাম সার্ভে। ফলে একই
সময়ে সেন্সাস, SIR এবং এই নতুন সমীক্ষা, তিনটি বড় ডেটা সংগ্রহ প্রক্রিয়ার মুখোমুখি
হতে চলেছেন সাধারণ মানুষ।
এই সমীক্ষায় একটি পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আয়ের বিস্তারিত
তথ্য জানাতে হবে। কে কী কাজ করেন, আয়ের উৎস কী, কতদিন ধরে সেই কাজ করছেন, সবকিছুই নথিভুক্ত
করা হবে। শুধু তাই নয়, পরিবারে কেউ নিয়মিত কাউকে টাকা পাঠান কি না, পাঠালে কেন পাঠান,
সেই তথ্যও দিতে হবে।
কেন্দ্রীয় সরকারের পরিসংখ্যান ও প্রকল্প রূপায়ণ মন্ত্রকের
অধীনে ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকস অফিস (NSO) এই সমীক্ষা পরিচালনা করবে। সমীক্ষকরা ঘরে
ঘরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন।
সরকারের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, দেশের কোন স্তরের মানুষের কাছে
কতটা সরকারি সহায়তা পৌঁছানো প্রয়োজন, তার সঠিক চিত্র পেতেই এই উদ্যোগ। কারণ, বর্তমানে
আয়করদাতার সংখ্যা সীমিত, প্রায় ১০ কোটির কাছাকাছি। অথচ এর বাইরে বহু মানুষ বিভিন্নভাবে
আয় করেন, যার তথ্য সরকারের কাছে নেই।
তবে প্রশ্ন উঠছে, একটি পরিবারের ক্ষুদ্রতম আয়ের উৎস বা ব্যক্তিগত
লেনদেনের তথ্য পর্যন্ত জানার প্রয়োজনীয়তা কতটা? কে কাকে আর্থিক সাহায্য করছেন, সেটাও
জানার উদ্দেশ্য কী?
সমালোচকদের মতে, ধারাবাহিকভাবে একের পর এক তথ্য সংগ্রহের
উদ্যোগ সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত পরিসরে হস্তক্ষেপ বাড়াতে পারে। অন্যদিকে, সরকারের
দাবি, এই তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনাই ভবিষ্যতে নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

আপনার মতামত লিখুন