পাকিস্তানের ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনা কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। তবে এই ফলাফলকে অস্বাভাবিক মনে করছে না তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চরম অবিশ্বাসের পরিবেশে প্রথম বৈঠকেই কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো যাবে এমন আশা কেউ করেনি।
ইরানি গণমাধ্যম ও আলজাজিরার তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ এই বৈঠকে
বেশ কিছু বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হতে পারলেও দুই-তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে এখনো বড় ধরনের
মতভেদ রয়ে গেছে। ইসমাইল বাঘাই বলেন,
"৪০ দিনের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের পর এই আলোচনা এমন এক
পরিবেশে হয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে গভীর সন্দেহ বিরাজমান। তাই প্রথম বৈঠকেই চুক্তি
হবে এমন প্রত্যাশা করা মোটেও বাস্তবসম্মত ছিল না।"
ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, আগামীতে এই আলোচনার
সাফল্য সম্পূর্ণ নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সততা ও সদিচ্ছার’ ওপর। বিশেষ করে ইরানের
বৈধ অধিকার ও জাতীয় স্বার্থকে ওয়াশিংটন কতটা মেনে নেয়, তার ওপরই নির্ভর করবে পরবর্তী
পদক্ষেপ।
এর আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে জানান, ২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও কোনো সমঝোতা ছাড়াই তারা পাকিস্তান ছাড়ছেন।
তিনি এই ফলাফলকে ‘দুঃসংবাদ’ হিসেবে অভিহিত করলেও ইরানি কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে আলোচনার
একটি প্রাথমিক প্রক্রিয়া হিসেবেই দেখছে।
কয়েক সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও চরম উত্তেজনার পর দুই দেশ
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সংলাপে বসেছিল। চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারায় মার্কিন প্রতিনিধি
দলটি ইতিমধ্যেই ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে মতভেদ
দূর করতে পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনা কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। তবে এই ফলাফলকে অস্বাভাবিক মনে করছে না তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চরম অবিশ্বাসের পরিবেশে প্রথম বৈঠকেই কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো যাবে এমন আশা কেউ করেনি।
ইরানি গণমাধ্যম ও আলজাজিরার তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ এই বৈঠকে
বেশ কিছু বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হতে পারলেও দুই-তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে এখনো বড় ধরনের
মতভেদ রয়ে গেছে। ইসমাইল বাঘাই বলেন,
"৪০ দিনের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের পর এই আলোচনা এমন এক
পরিবেশে হয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে গভীর সন্দেহ বিরাজমান। তাই প্রথম বৈঠকেই চুক্তি
হবে এমন প্রত্যাশা করা মোটেও বাস্তবসম্মত ছিল না।"
ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, আগামীতে এই আলোচনার
সাফল্য সম্পূর্ণ নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সততা ও সদিচ্ছার’ ওপর। বিশেষ করে ইরানের
বৈধ অধিকার ও জাতীয় স্বার্থকে ওয়াশিংটন কতটা মেনে নেয়, তার ওপরই নির্ভর করবে পরবর্তী
পদক্ষেপ।
এর আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে জানান, ২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও কোনো সমঝোতা ছাড়াই তারা পাকিস্তান ছাড়ছেন।
তিনি এই ফলাফলকে ‘দুঃসংবাদ’ হিসেবে অভিহিত করলেও ইরানি কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে আলোচনার
একটি প্রাথমিক প্রক্রিয়া হিসেবেই দেখছে।
কয়েক সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও চরম উত্তেজনার পর দুই দেশ
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সংলাপে বসেছিল। চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারায় মার্কিন প্রতিনিধি
দলটি ইতিমধ্যেই ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে মতভেদ
দূর করতে পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন