মহিলা সংরক্ষণ আইন সংশোধন এবং এলাকা পুনর্বিন্যাস (ডিলিমিটেশন) সংক্রান্ত কেন্দ্রের সাম্প্রতিক উদ্যোগের বিরোধিতায় সরব হল কংগ্রেস। শুক্রবার ‘কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি’ (CWC)-র বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রস্তাবিত সংশোধনী বিলকে সমর্থন করবে না দল।
বৈঠকের পর কংগ্রেসের মুখ্য মুখপাত্র জয়রাম রমেশ বলেন, ২০২৩
সালেই মহিলা সংরক্ষণ বিল সংসদে সর্বসম্মতভাবে পাশ হয়েছিল। ফলে একই বিষয়ে নতুন করে সংশোধনের
প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে দল। তাঁর বক্তব্য, সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে এলাকা
পুনর্বিন্যাস, যা নিয়ে কংগ্রেসের আপত্তি রয়েছে।
উল্লেখ্য, লোকসভা ও বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের
বিধান ২০২৩ সালের ১২৮তম সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে আইন হিসেবে গৃহীত হয়। তবে সেই আইন
কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে পরবর্তী জনগণনা ও ডিলিমিটেশনের পর, যা সম্ভাব্যভাবে ২০২৯ সালের
আগে নয়।
এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ২০১১ সালের জনগণনাকে
ভিত্তি করে সংরক্ষণ কার্যকর করার সম্ভাবনা নিয়ে যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন
তুলেছে কংগ্রেস। দলের মতে, এই পদক্ষেপের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
আগামী ১৬-১৮ এপ্রিল সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে এই ইস্যুতে।
তার আগে বিরোধী দলগুলির অবস্থান নির্ধারণ করতে ১৫ এপ্রিল সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন কংগ্রেস
সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলি বাস্তবে
কার্যকর হতে সময় লাগবে, ফলে তাৎক্ষণিকভাবে আসন্ন রাজ্য নির্বাচনে এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা
সীমিত।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
মহিলা সংরক্ষণ আইন সংশোধন এবং এলাকা পুনর্বিন্যাস (ডিলিমিটেশন) সংক্রান্ত কেন্দ্রের সাম্প্রতিক উদ্যোগের বিরোধিতায় সরব হল কংগ্রেস। শুক্রবার ‘কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি’ (CWC)-র বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রস্তাবিত সংশোধনী বিলকে সমর্থন করবে না দল।
বৈঠকের পর কংগ্রেসের মুখ্য মুখপাত্র জয়রাম রমেশ বলেন, ২০২৩
সালেই মহিলা সংরক্ষণ বিল সংসদে সর্বসম্মতভাবে পাশ হয়েছিল। ফলে একই বিষয়ে নতুন করে সংশোধনের
প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে দল। তাঁর বক্তব্য, সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে এলাকা
পুনর্বিন্যাস, যা নিয়ে কংগ্রেসের আপত্তি রয়েছে।
উল্লেখ্য, লোকসভা ও বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের
বিধান ২০২৩ সালের ১২৮তম সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে আইন হিসেবে গৃহীত হয়। তবে সেই আইন
কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে পরবর্তী জনগণনা ও ডিলিমিটেশনের পর, যা সম্ভাব্যভাবে ২০২৯ সালের
আগে নয়।
এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ২০১১ সালের জনগণনাকে
ভিত্তি করে সংরক্ষণ কার্যকর করার সম্ভাবনা নিয়ে যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন
তুলেছে কংগ্রেস। দলের মতে, এই পদক্ষেপের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
আগামী ১৬-১৮ এপ্রিল সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে এই ইস্যুতে।
তার আগে বিরোধী দলগুলির অবস্থান নির্ধারণ করতে ১৫ এপ্রিল সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন কংগ্রেস
সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলি বাস্তবে
কার্যকর হতে সময় লাগবে, ফলে তাৎক্ষণিকভাবে আসন্ন রাজ্য নির্বাচনে এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা
সীমিত।

আপনার মতামত লিখুন