মালয়েশিয়ার বন্ধ শ্রমবাজার দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুনরায় চালু করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
রবিবার
দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের
সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই
অনড় অবস্থানের কথা জানান।
উপদেষ্টা
স্পষ্ট করেছেন, এবার আর কোনো
সিন্ডিকেটের হাতে শ্রমবাজার জিম্মি
হতে দেওয়া হবে না।
শ্রমিক
পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ে মাহদী আমিন
বলেন, “আমরা চাই স্বল্প
খরচে, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় যেন আমাদের মানুষ
যেতে পারেন। মালয়েশিয়াকে আহ্বান জানিয়েছি এই প্রক্রিয়াটাকে সিন্ডিকেটমুক্ত
করার জন্য যা কিছু
করা প্রয়োজন সেটি যেন করে।”
তিনি
আরও যোগ করেন, “এ
বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যেমন আন্তরিক, তেমনি
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীও ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন।”
কবে
নাগাদ কর্মী পাঠানো শুরু হবে এমন
প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, বিষয়টি
বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন এবং সরকার যত
দ্রুত সম্ভব এই বাজারটি উন্মুক্ত
করার জন্য কাজ করে
যাচ্ছে।
বিদেশে
কর্মী পাঠানোর নামে অনিয়ম ও
বিগত দিনের মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে উপদেষ্টা সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা
পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে
এখন যে গণতান্ত্রিক সরকার
রয়েছে, আমরা আইনের শাসনে
বিশ্বাস করি। বিচার বিভাগ
তার নিজস্ব গতিতে চলবে। যারা অপরাধী, যারা
দুর্নীতি বা অপকর্মে যুক্ত,
তারা আইনি প্রক্রিয়ায় শাস্তি
পাবেন। একইভাবে যারা নির্দোষ, তারাও
সুবিচার পাবে; এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
মালয়েশিয়ার
পক্ষ থেকে 'ক্রেডিবল রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি'র প্রস্তাবনার বিষয়ে
তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, এটি
কোনো নতুন সিন্ডিকেট তৈরির
উদ্যোগ নয়, বরং এটি
মালয়েশিয়ার সব দেশের জন্যই
প্রযোজ্য একটি বৈশ্বিক মানদণ্ড।
মাহদী
আমিন বলেন, “আমরা ক্রেডিবল বা
কোয়ালিফাইড বলতে তাদেরই বোঝাবো,
যারা দুর্নীতিমুক্ত থেকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়
রিক্রুটমেন্ট পরিচালনা করবে। এর মাধ্যমে আমরা
ধীরে ধীরে অভিবাসন ব্যয়
কমিয়ে আনতে চাই।”
বর্তমান
সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে বেশি
সংখ্যক মানুষকে বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে
বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
মালয়েশিয়ার বন্ধ শ্রমবাজার দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুনরায় চালু করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
রবিবার
দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের
সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই
অনড় অবস্থানের কথা জানান।
উপদেষ্টা
স্পষ্ট করেছেন, এবার আর কোনো
সিন্ডিকেটের হাতে শ্রমবাজার জিম্মি
হতে দেওয়া হবে না।
শ্রমিক
পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ে মাহদী আমিন
বলেন, “আমরা চাই স্বল্প
খরচে, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় যেন আমাদের মানুষ
যেতে পারেন। মালয়েশিয়াকে আহ্বান জানিয়েছি এই প্রক্রিয়াটাকে সিন্ডিকেটমুক্ত
করার জন্য যা কিছু
করা প্রয়োজন সেটি যেন করে।”
তিনি
আরও যোগ করেন, “এ
বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যেমন আন্তরিক, তেমনি
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীও ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন।”
কবে
নাগাদ কর্মী পাঠানো শুরু হবে এমন
প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, বিষয়টি
বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন এবং সরকার যত
দ্রুত সম্ভব এই বাজারটি উন্মুক্ত
করার জন্য কাজ করে
যাচ্ছে।
বিদেশে
কর্মী পাঠানোর নামে অনিয়ম ও
বিগত দিনের মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে উপদেষ্টা সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা
পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে
এখন যে গণতান্ত্রিক সরকার
রয়েছে, আমরা আইনের শাসনে
বিশ্বাস করি। বিচার বিভাগ
তার নিজস্ব গতিতে চলবে। যারা অপরাধী, যারা
দুর্নীতি বা অপকর্মে যুক্ত,
তারা আইনি প্রক্রিয়ায় শাস্তি
পাবেন। একইভাবে যারা নির্দোষ, তারাও
সুবিচার পাবে; এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
মালয়েশিয়ার
পক্ষ থেকে 'ক্রেডিবল রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি'র প্রস্তাবনার বিষয়ে
তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, এটি
কোনো নতুন সিন্ডিকেট তৈরির
উদ্যোগ নয়, বরং এটি
মালয়েশিয়ার সব দেশের জন্যই
প্রযোজ্য একটি বৈশ্বিক মানদণ্ড।
মাহদী
আমিন বলেন, “আমরা ক্রেডিবল বা
কোয়ালিফাইড বলতে তাদেরই বোঝাবো,
যারা দুর্নীতিমুক্ত থেকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়
রিক্রুটমেন্ট পরিচালনা করবে। এর মাধ্যমে আমরা
ধীরে ধীরে অভিবাসন ব্যয়
কমিয়ে আনতে চাই।”
বর্তমান
সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে বেশি
সংখ্যক মানুষকে বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে
বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

আপনার মতামত লিখুন