দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
রবিবার
(১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি
লাভ করেন। কারাগারের সব দাপ্তরিক প্রক্রিয়া
সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি কারাফটক
দিয়ে বেরিয়ে আসেন এবং সেখানে
অপেক্ষমাণ স্বজনরা তাকে নিয়ে রাজধানীর
উদ্দেশ্যে রওনা হন।
সাবেক
স্পিকারের মুক্তি প্রসঙ্গে তার আইনজীবী ব্যারিস্টার
নাজিয়া কবির গণমাধ্যমকে বলেন,
"আমরা জামিন চেয়েছি তার স্বাস্থ্যগত অবস্থার
গুরুতর অবনতির কারণে, ওনার ক্লিন পলিটিক্যাল
ইমেজ ও প্রাসঙ্গিক এই
বিষয়ে। আদালত শুনানি শেষে আমাদের দাখিল
করা আবেদনে প্রদত্ত কারণসমূহে সন্তুষ্ট হয়ে ওনাকে জামিন
দিয়েছেন। আদালতের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।"
তিনি
আরও যোগ করেন, "বিগত
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দেশের জনগণ
জানত না উনি কোথায়
ছিলেন। বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি ওনাকে খুঁজে
বের করার জন্য। আরও
বলতে চাই বর্তমান সরকারের
আমলে আদালত নিজস্ব মাইন্ড এপ্লাই করে আদেশ দিচ্ছেন
এবং আমরা বিশ্বাস করি
সামনের দিকে আদালত এভাবেই
নিরপেক্ষ ভাবে এবং নির্ভয়ে
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবে যেটা আমরা
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দেখিনি।"
কারাগার
সূত্রে জানা গেছে, এদিন
বিকেল ৪টার দিকে ড.
শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছায়। এরপর কারা কর্তৃপক্ষ
নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই শুরু করে। যাচাই
শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে
তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি দেওয়া হয়।
কাশিমপুর
কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার কাওয়ালিন
নাহার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালতের
আদেশ আসার পর যাচাই-বাছাই শেষে তাকে মুক্তি
দেওয়া হয়েছে।
এর আগে দুপুরে ঢাকার
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেনের আদালত রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা
মামলায় তার জামিন আবেদন
মঞ্জুর করেন। শুনানির সময় সাবেক এই স্পিকারকে সশরীরে
আদালতে হাজির করা হয়নি। তার
আইনজীবীরা আদালতের কাছে জামিন প্রার্থনা
করেন।
গত ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলন চলাকালে লালবাগ এলাকায় সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে
ড. শিরীনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিলো। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার (৭
এপ্রিল) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার
করা হয়েছিলো।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
রবিবার
(১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি
লাভ করেন। কারাগারের সব দাপ্তরিক প্রক্রিয়া
সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি কারাফটক
দিয়ে বেরিয়ে আসেন এবং সেখানে
অপেক্ষমাণ স্বজনরা তাকে নিয়ে রাজধানীর
উদ্দেশ্যে রওনা হন।
সাবেক
স্পিকারের মুক্তি প্রসঙ্গে তার আইনজীবী ব্যারিস্টার
নাজিয়া কবির গণমাধ্যমকে বলেন,
"আমরা জামিন চেয়েছি তার স্বাস্থ্যগত অবস্থার
গুরুতর অবনতির কারণে, ওনার ক্লিন পলিটিক্যাল
ইমেজ ও প্রাসঙ্গিক এই
বিষয়ে। আদালত শুনানি শেষে আমাদের দাখিল
করা আবেদনে প্রদত্ত কারণসমূহে সন্তুষ্ট হয়ে ওনাকে জামিন
দিয়েছেন। আদালতের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।"
তিনি
আরও যোগ করেন, "বিগত
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দেশের জনগণ
জানত না উনি কোথায়
ছিলেন। বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি ওনাকে খুঁজে
বের করার জন্য। আরও
বলতে চাই বর্তমান সরকারের
আমলে আদালত নিজস্ব মাইন্ড এপ্লাই করে আদেশ দিচ্ছেন
এবং আমরা বিশ্বাস করি
সামনের দিকে আদালত এভাবেই
নিরপেক্ষ ভাবে এবং নির্ভয়ে
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবে যেটা আমরা
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দেখিনি।"
কারাগার
সূত্রে জানা গেছে, এদিন
বিকেল ৪টার দিকে ড.
শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছায়। এরপর কারা কর্তৃপক্ষ
নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই শুরু করে। যাচাই
শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে
তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি দেওয়া হয়।
কাশিমপুর
কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার কাওয়ালিন
নাহার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালতের
আদেশ আসার পর যাচাই-বাছাই শেষে তাকে মুক্তি
দেওয়া হয়েছে।
এর আগে দুপুরে ঢাকার
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেনের আদালত রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা
মামলায় তার জামিন আবেদন
মঞ্জুর করেন। শুনানির সময় সাবেক এই স্পিকারকে সশরীরে
আদালতে হাজির করা হয়নি। তার
আইনজীবীরা আদালতের কাছে জামিন প্রার্থনা
করেন।
গত ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলন চলাকালে লালবাগ এলাকায় সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে
ড. শিরীনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিলো। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার (৭
এপ্রিল) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার
করা হয়েছিলো।

আপনার মতামত লিখুন